একই সাথে আয়োজিত হচ্ছে তর্কসাপেক্ষে দুই সেরা ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) সবকিছু ছাপিয়ে সবার আগে। কিন্তু ক্রমশ ধারাবাহিকতা আর পেশাদারিত্বের প্রমাণ রেখে পাকিস্তান সুপার লিগও (পিএসএল) নিজেদের আলাদা জায়গা তৈরি করছে। আর একই সাথে যখন এই দুই টুর্নামেন্ট চলমান, তখন স্বাভাবিকভাবেই তুলনা চলেই আসছে।
খানিকটা বাধ্য হয়েই এই সময়ে পিএসএল আয়োজন করছে পাকিস্তান। কেননা তাদের নির্ধারিত সময়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মত বড় আয়োজনে মনোনিবেশ করতে হয়েছিল। সে কারণেই আইপিএলের সময়ে আয়োজিত হচ্ছে পিএসএল।
এতে করে অবশ্য পিএসএলে ভিনদেশি খেলোয়াড় প্রাপ্তি খানিকটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবুও মাঠে গড়াচ্ছে ম্যাচ। আয়োজনেও নেই কমতি। মাঠের ক্রিকেটও বিনোদনের খোরাক মেটাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই দু’টো টুর্নামেন্টে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে বটে, বিশেষ করে নিয়মের ক্ষেত্রে।

এই যেমন ‘ইম্প্যাক্ট সাব’। আইপিএলে ইম্প্যাক্ট সাব নামক নতুন নিয়ম প্রচলিত হয়েছে। ম্যাচের যেকোন ইনিংসে একজন খেলোয়াড় বদল করতে পারে দলগুলো। এই নিয়ম আবার নেই পিএসএলে। টসের সময় দেওয়া একাদশ নিয়েই একটি দলকে খেলতে হয় পুরো ৪০ ওভার।
এছাড়া ভিনদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও একটা ছোট্ট নিয়মের পার্থক্য রয়েছে দুই ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে। যদিও দু’টো টুর্নামেন্টই সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি খেলোয়াড় একাদশে রাখার পক্ষে। কিন্তু পিএসএলে অন্তত একজন বিদেশি খেলোয়াড়কে রাখতে হবে একাদশে। কিন্তু আইপিএলে নেই এমন কোন নিয়ম। কোন দল যদি চায়, তবে ১১ জন ভারতীয় খেলোয়াড় দিয়েই একাদশ সাজাতে পারবে।
এছাড়াও স্ট্র্যাটিজিক টাইম আউটের পার্থক্য রয়েছে দুই টুর্নামেন্টে। আইপিএলে স্ট্রাটিজিক টাইমআউট গ্রহণের এখতিয়ার রয়েছে দলগুলোর। যেকোন দলই ৬-৯ ও ১৩-১৬ ওভারের মধ্যে স্ট্র্যাটিজিক টাইমআউট নিতে পারবে। কিন্তু পিএসএলে দশ ওভার শেষে আম্পায়ার টাইমআউটের নির্দেশ দেন। সেটাকে অবশ্য ড্রিংকস ব্রেকও বলা যেতে পারে।

নজরে আসা নিয়মগুলোর মধ্যে এই তিন নিয়মের ফারাক রয়েছে দু’টো ফ্রাঞ্চাইজি লিগে। সেসব পার্থক্য ঘুচিয়ে দর্শকদের বিনোদিত করা আর নিত্য-নতুন খেলোয়াড়দের উঠে আসার মঞ্চ হিসেবেই ব্যবহৃত হবে আইপিএল ও পিএসএল, তেমনটিই হয়ত সকলের প্রত্যাশা।











