১২ হাজারি ক্লাবের শ্রেষ্ঠ নায়ক

যতই বেশি খেলা হোক না কেন,  বিশ ওভারের ক্রিকেটে কোনো ব্যাটারের জন্য ১২ হাজার রান করা সহজ নয় কোনোভাবেই।

বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্জাইজি লিগের রমরমা সময়ের কারণে টি-টোয়েন্টিই এখন ক্রিকেটের প্রধান আকর্ষণ। টি-টোয়েন্টির রেকর্ডও তাই ইদানিং ফুলেফেঁপে উঠছে। তারপরও এই ফরম্যাটে ১২ হাজার রান করা খুব সহজ হয়। তবে, ব্যাটারদের খেলা টি-টোয়েন্টিতে এই রেকর্ড খুব দ্রুততম সময়েই ছুঁয়েছেন বেশ ক’জন ব্যাটার।

ইংল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পথে নেতৃত্ব দেওয়া জস বাটলারের রান ১৪ হাজারেরও বেশি। ডানহাতি এই ব্যাটার বিশ্বজুড়ে নানা লিগে খেলেন আন্তর্জাতিকের পাশাপাশি।  ১২ হাজার রান ছুঁতে তাঁকে খেলতে হয়েছিল ৪০৫ ইনিংস।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সকল ফরম্যাটে সর্বোচ্চ শিরোপাজয়ী ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। বাঁহাতি এই ব্যাটার আন্তর্জান্তিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে নিলেও খেলা ছেড়ে দেননি একেবারে। ১২ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে খেলেছেন ৩৬৮ ইনিংস।

ক্রিকেটের আধুনিক যুগের ব্যাটিং নিয়ে কথা হবে আর সেখানে বিরাট কোহলির নাম আসবে না তা মানা যায় না। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি  বিশ্বকাপের পর ভারতের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ থেকে অবসর নেওয়া কোহলি খেলেন কেবল আইপিএল। ৩৬০ ইনিংস খেলতে হয়েছে তাঁকে ১২ হাজার রানের ঘরে যেতে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ব্যাটিং নিয়ে কথা বললেই ক্যারাবিয়ান জায়ান্ট ক্রিস গেইলের নাম আসতে বাধ্য। যতদিন খেলেছেন সবাইকে বিনোদন দিয়ে গেছেন প্রাণভরে। এখন অবসরে থাকা গেইল ১২ হাজার রান করতে খেলেছিলেন ৩৪৩ ইনিংস।

গত কিছু বছরে নিজের ব্যাটিং নিয়ে আলাদাভাবে যারা নজর কেড়েছেন তাদের মধ্যে পাকিস্তানের বাবর আজম অন্যতম। বিশ ওভারের ক্রিকেটে তাঁর ধারাবাহিকতার ফল পেয়ে ১২ হাজার রান করেছেন সবচেয়ে কম ইনিংস খেলে। এই রেকর্ড নিজের নামে করতে বাবর খেলেন মাত্র ৩৩৮ ইনিংস।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link