সুয়াশ শর্মা, আরসিবির ম্যাজিশিয়ান

প্লে-অফে এর আগে আর কোনো দলই মাত্র ১৪.১ ওভারে অলআউট হয়নি। লজ্জার রেকর্ড সঙ্গী হল পাঞ্জাব কিংসের। ২০০৮ সালে মাত্র ১৬.১ ওভারে অল আউট হওয়া দিল্লী ক্যাপিটালস এবার একটু হলেও স্বস্তি পেতে পারে।

কলকাতা নাইট রাইডার্স রিটেইন করেনি, সেই সুযোগটা লুফে নিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। আর তাঁর ফলাফলটা পাঞ্জাব কিংস হাড়ে হাড়ে টের পেল, আইপিএলের প্রথম কোয়ালিফায়ারে।

না, সুয়াশ শর্মা এই আইপিএলে প্রথমবারের মত জ্বলে উঠলেন – ব্যাপারটা তেমন নয়। তিনি ব্যাঙ্গালুরুর বোলিং আক্রমণের অন্যতম প্রধান ভরসা। বিশেষ করে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের ক্ষেত্রে। তবে, শেষ পাঁচটা ম্যাচেই খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। পেয়েছেন মোটে এক উইকেট।

এমন ফর্মের পরও যে ব্যাঙ্গালুরু তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল – সেটাই বাড়াবাড়ি। ধন্যবাদ পেতেই পারে ব্যাঙ্গালুরু ম্যানেজমেন্ট। কোয়ালিফায়ারে ভরসার প্রতিদান তিনি শতগুণ বেশি দরে ফিরিয়ে দিয়েছেন। ১৭ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট।

পেসারদের বানানো মঞ্চে বারবার ভুগিয়েছেন পাঞ্জাবের ব্যাটারদের। যখন ফর্মে থাকেন, তখন সুয়াশের ফর্ম বোঝার সাধ্য কারও নাই। উইকেটরক্ষকরাও বিভ্রান্ত হন। শশাঙ্ক সিং-মুশির খানরা লেগব্রেক গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়েই ফিরেছেন সাজঘরে।

প্লে-অফে এর আগে আর কোনো দলই মাত্র ১৪.১ ওভারে অলআউট হয়নি। লজ্জার রেকর্ড সঙ্গী হল পাঞ্জাব কিংসের। ২০০৮ সালে মাত্র ১৬.১ ওভারে অল আউট হওয়া দিল্লী ক্যাপিটালস এবার একটু হলেও স্বস্তি পেতে পারে।

Share via
Copy link