লখনৌর অধিনায়ক হলে রান করা মানা – ভাবছেন মজা করছি? ভাবাটাই স্বাভাবিক; কারণ অধিনায়কের ওপর প্রত্যাশা থাকে আরো বেশি, আরো বেশি চওড়া হয়ে উঠবে তাঁর ব্যাট সেটাই থাকে সবার প্রত্যাশা। কিন্তু লখনৌ সুপার জায়ান্টসের জার্সি গায়ে দিলে সেই প্রত্যাশার সঙ্গে বাস্তবতার পার্থক্য হয়ে যায় আকাশ পাতাল।
২৭ কোটি রুপি দিয়ে, আইপিএল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়ে ঋষাভ পান্তকে স্কোয়াডে ভিডিয়েছিল লখনৌ। এর আগে দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়কত্ব করেছিলেন তিনি, নতুন দলে এসেও পুরনো দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন তিনি। কিন্তু শুরুটা হলো কেমন যেন, ছয় বল উইকেটে থেকেও কোন রান করতে পারলেন না এই বাঁ-হাতি।
অথচ দিল্লিতে থাকাকালীন এতগুলো ম্যাচ খেলেছেন তিনি, কিন্তু কখনোই শূন্য রানে আউট হননি। অবশ্য কেবল পান্ত নন, এর আগে একই ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে আরো দু’জনকে।

তাঁদের মধ্যে লোকেশ রাহুল একজন, পাঞ্জাবের হয়ে খেলেছেন উল্লেখযোগ্য একটা সময়। দলটার হয়ে কোন ইনিংসে রানের খাতা খুলতে পারেননি এমনটা হয়নি; কিন্তু ২০২২ সালে লখনৌ তাঁকে নেতৃত্বের আসনে বসানোর পর দৃশ্যপট বদলে যায়। গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে অধিনায়কত্বের অভিষেকে প্রথম বলেই আউট হয়ে যান এই ব্যাটার।
পরের বছরই একই রেকর্ডে নাম লেখান দলটার তৎকালীন সহ-অধিনায়ক ক্রুনাল পান্ডিয়া। রাহুলের অনুপস্থিতিতে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে টস করতে নামতে হয় তাঁকে। আর সে ম্যাচে কোন রান করতে পারেননি তিনি।
অপ্রত্যাশিত রেকর্ডে নাম লেখালেও লোকেশ রাহুল কিংবা ক্রুনাল পান্ডিয়া দু’জনেই ব্যক্তিগতভাবে সফল ছিলেন লখনৌর হয়ে। রাহুল তো দলটার সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকও বটে – এখন দেখার বিষয়, ঋষাভ পান্ত কিভাবে ঘুরে দাঁড়ান।











