তিন অথবা দুই চমক এশিয়া কাপের দলে!

এশিয়া কাপের দলে থাকছে জোড়া চমক। ব্যাক-ওপেনার হিসেবে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ভাবনায় আছেন সৌম্য সরকারও। মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়াতে আসছেন নুরুল হাসান সোহান।

এশিয়া কাপের দলে থাকছে জোড়া চমক। ব্যাক-ওপেনার হিসেবে টি-টোয়েন্টি দলে ফিরছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ভাবনায় আছেন সৌম্য সরকারও। মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ের গভীরতা বাড়াতে আসছেন নুরুল হাসান সোহান।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ২০ ওভারের ক্রিকেটে নিজের পরিকল্পনার নিয়ে বেশ সচেতন লিটন কুমার দাস। সর্বশেষ পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপের আগে তাই দলে খুব একটা পরিবর্তন আসবে না।

তবে, কয়েকটা পরিবর্তন না আসলেই নয়। বিশেষ করে ব্যাক-আপ ওপেনার হিসেবে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তিনি দল থেকে জায়গা হারাবেন, এটা মোটামুটি অবধারিত। এখানে দু’টো ভাবনা আছে টিম ম্যানেজমেন্টের। ভাবা হচ্ছে সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্তর নাম।

ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে পারদর্শী তাঁরা। সৌম্যকে চাইলে মিডল অর্ডারেও ব্যাট করানো যায়। দু’জনেরই সাদা বলের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক ফর্ম নাঈম শেখের চেয়ে ভাল। তাই এশিয়া কাপ খেলতে আরব আমিরাতগামী বিমানে তাঁরাই এগিয়ে থাকছেন।

উইকেটরক্ষক ব্যাটার সোহানকে নেওয়া হতে পারে মিডল অর্ডারের ভরসা বাড়াতে। বাংলাদেশ মাঝের ওভার গুলোতে রান তুলতে পারছে না, সেখানে সোহান হতে পারেন সমাধান। সাম্প্রতিক সময়ে সোহান যেখানেই খেলছেন রান করছেন হাত খুলে। গ্লোবাল সুপার লিগে (জিএসএল) রংপুর রাইডার্সকে নিয়ে গেছেন ফাইনালে।

সোহানকে জায়গা দিতে বাদ পড়তে পারেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং অ্যাপ্রোচ চলনশীল নয়। তাঁর বোলিং বাংলাদেশ মিস করতে পারে, তবে দলে শেখ মেহেদী হাসান ও নাসুম আহমেদ থাকছেন। তাই, মিরাজের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

এশিয়া কাপ শুরু নয় সেপ্টেম্বর। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের লড়াই জমবে হংকং, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের সাথে। ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ হংকংয়ের বিপক্ষে। এর আগে ছয় আগস্ট থেকে দেশেই ক্যাম্প শুরু করবে বাংলাদেশ।

নেদারল্যান্ডস ও নেপালের সাথে এর মধ্যে একটা টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজনের কথাবার্তা চলছে। সেটা না হলে, সরাসরি এশিয়া কাপেই খেলতে যাবে বাংলাদেশ। আগস্টের শেষ ভাগে জানিয়ে দেওয়া হবে এশিয়া কাপের দল।

ফলে, বলাই যাচ্ছে হোম-ওয়ার্কের জন্য যথেষ্ট সময় হাতে পাচ্ছে বাংলাদেশের নির্বাচক প্যানেল। সেই সময়টা এখন উপযুক্ত কায়দায় ব্যবহার করতে পারলেই কেবল এশিয়া কাপ থেকে হাসিমুখে ফিরতে পারে লিটন বাহিনী।

লেখক পরিচিতি

সম্পাদক

Share via
Copy link