রোমাঞ্চকর পরাজয়ে মেজাজ হারিয়ে রেডকার্ড দেখলেন সিমিওনে

মেজাজ হারিয়ে আরও একবার রেডকার্ড দেখলেন ডিয়েগো সিমিওনে। দর্শক সারি থেকে আসা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন সিমিওনে।

মেজাজ হারিয়ে আরও একবার রেডকার্ড দেখলেন ডিয়েগো সিমিওনে। লিভারপুলের ঘরের মাঠে শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে লিভারপুল। এক পয়েন্ট পাওয়ার আশায় থাকা অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনে নিজের আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি। দর্শক সারি থেকে আসা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে রেড কার্ড দেখেন সিমিওনে। তিনি রীতিমত মারমুখি হয়ে পড়েন লিভারপুল দর্শকের প্রতি।

অ্যানফিল্ডে শুরুতেই এগিয়ে যায় স্বাগতিক লিভারপুল। অ্যান্ড্রু রবার্টসনের গোলে ম্যাচের চার মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় অল রেডরা। মিনিট দু’য়েকের মধ্যে আবারও স্কোরশিটে নাম তোলেন অলরেড স্টার মোহাম্মদ সালাহ। ম্যাচের একেবারে শুরুতেই দাপটটা স্পষ্ট করে ফেলে ঘরের ছেলেরা। কিন্তু তখনও সিমিওনির শীর্ষ্যদের ম্যাজিক দেখানো বাকি।

সেই ম্যাজিক নিয়ে হাজির হলেন মার্কোস লরেন্তে। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমের স্কোরশিটে নাম তোলেন লরেন্তে। এই ম্যাচেও প্রত্যার্বতন ঘটানো সম্ভব- সে বিশ্বাস নিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরে স্প্যানিশ ক্লাবটি। সেই বিশ্বাস বাস্তবে রুপান্তরিত হতে অবশ্য সময় লেগে যায়। ম্যাচের ৮১ মিনিটের মাথায় সেই লরেন্তে তার দলকে ফেরান সমতায়।

পুরো অ্যানফিল্ড জুড়েই এক ভয়াবহ নিস্তবদ্ধতা ছড়িয়ে যায়। কিন্তু সেই নিশ্চুপ গ্যালারিতে আনন্দের গণজোয়ার নিয়ে আসেন অল রেড অধিনায়ক ভার্জিল ভ্যান ডাইক। রেফারি প্রস্তুতি নিচ্ছেন শেষ বাশি বাজানোর। ডমিনিক সোবস্লাইয়ের একটা ক্রস থেকে হেডারে গোল আদায় করেন ভ্যান ডাইক। সেখানেই বরং অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের একটি পয়েন্ট পাওয়ার আশা হয়েছে ধূলিসাৎ।

অন্যদিকে অ্যালিয়াঞ্জ এরেনাতে বায়ার্ন মিউনিখ পেয়েছে প্রত্যাশিত জয়। জার্মান ক্লাবটি আতিথিয়েতা দিয়েছিল বিশ্বকাপ জয়ী ক্লাব চেলসিকে। ইংল্যান্ডের ছেলে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে জয় পেতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি জার্মান ক্লাবটিকে। যদিও চেলসি মাঠের খেলায় বিন্দুমাত্র স্বস্তিতে রাখেনি বায়ার্ন মিউনিখকে। স্রোতের বিপরীতে আত্মঘাতি গোল হজম করে তারা ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায়।

সেই ব্যবধানকে দ্বিগুণ করেন হ্যারি কেইন। ম্যাচের ২৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। যদিও তার মিনিট দুই পরে চেলসির কুলবয় কোল পালমার ব্যবধান কমান। প্রথমার্ধে ২-১ গোল ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বায়ার্ন মিউনিখ। সমতায় ফেরার চেষ্টাগুলো সেই অর্থে কাজে লাগাতে পারেনি চেলসি। উলটো ম্যাচের ৬৭ মিনিটের মাথায় হ্যারি কেইন ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৩-১।

শেষ অবধি সেটাই ছিল বায়ার্ন ও চেলসির মধ্যকার স্কোরলাইন। এছাড়াও এদিন প্যারিস সেইন্ট জার্মেই প্রত্যাশিতভাবে বড় জয়ের দেখা পেয়েছে। ৪-০ গোলে তারা হারিয়েছে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তাকে। অন্য আরেক ম্যাচে ডাচ ক্লাব আয়াক্সকে ২-০ গোল ব্যবধানে হারিয়েছে আরেক ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলান।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link