ডিআরএস নেননি তো ফেঁসেছেন!

ফারুকির জন্য অবশ্য এ এক পরিচিত দৃশ্য। পাওয়ারপ্লেতেই উইকেট তুলে নেওয়াটা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন তিনি। দ্বিতীয় বলেই সেটাই আবার প্রমাণ করলেন আফগান পেসার। শুরুতেই হংকংয়ের ব্যাটিং লাইনআপে ধাক্কা দিলেন তিনি। যদিও, এখানে ভাগ্যের সহায়তাও আছে তাঁর।

ব্যাট আর বলের মধ্য মোটামুটি বিরাট একটা ফাঁক। উইকেটের পেছনে ক্যাচ ধরেই উল্লাসে ভাসলেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। আপিল না করেই উল্লাসে মাতলেন ফাস্ট বোলার ফজল হক ফারুকি। আনশুমান রাঠ সাজঘরে ফিরে যাওয়ার আগে নন স্ট্রাইকার জিশান আলীর সাথে আলাপ করলেন। কেউই তাঁর পাশে দাঁড়ালেন না। কারণ, পরিস্কার একটা শব্দ শুনতে পেয়েছেন সবাই।

চাইলে পাল্টা আপিল করতে পারতেন আনশুমান, ইনিংসের মাত্র দ্বিতীয় ডেলিভারি। ডিআরএস ছিলই। কিন্তু, সেদিকে না হেরে সাজঘরের পথে হাঁটাকেই সহজ মনে করেছেন তিনি। তাঁর ব্যাটের সাথে বলের সংযোগ ঘটেনি, এই আত্মবিশ্বাসটা তাঁর দেখানোর দরকার ছিল।

শুরুটা মোটেও স্বপ্নময় হলো না হংকংয়ের জন্য। রান তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা খেল দলটি। ফজল হক ফারুকির ধারালো সুইংয়ে ফিরতে হলো আনশুমান রাঠকে। অফ স্ট্যাম্পের বাইরে হালকা ভাসমান ডেলিভারিতে ব্যাট বাড়িয়েছিলেন রাঠ। বলের গতিপথে সামান্য ছোঁয়া, আর তাতেই গ্লাভসে চলে আসে সহজ ক্যাচ। গুরবাজের হাতেই ধরা পড়ে শেষ হয়ে যায় রাঠের ইনিংস— শূন্যতে বিদায়, গোল্ডেন ডাক।

তবে রিপ্লেতে দেখা যায় আল্ট্রা এজে কোনো স্পাইক নেই। ব্যাট বা গ্লাভস–কিছুতেই সংযোগ মেলেনি। অথচ আম্পায়ারের আঙুল উঠতেই ফিরতে হয়েছে রাঠকে। নিজের অনুভূতিই যেন সঠিক ছিল, কিন্তু ভাগ্য তখন আর সহায় হয়নি তাঁর। সাজঘরে ফিরে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাঠ। হাত নেড়ে নেড়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন, তাঁর সাথে অন্যায় করা হয়েছে। কিন্তু, সেই অন্যায়টা চাইলে তিনি নিজেও ‍শুধরে নিতে পারতেন, কিন্তু মাঠে সেই সাহসটা দেখাতে পারেননি তিনি।

ফারুকির জন্য অবশ্য এ এক পরিচিত দৃশ্য। পাওয়ারপ্লেতেই উইকেট তুলে নেওয়াটা যেন অভ্যাসে পরিণত করেছেন তিনি। দ্বিতীয় বলেই সেটাই আবার প্রমাণ করলেন আফগান পেসার। শুরুতেই হংকংয়ের ব্যাটিং লাইনআপে ধাক্কা দিলেন তিনি। যদিও, এখানে ভাগ্যের সহায়তাও আছে তাঁর।

Share via
Copy link