বিশ্বকাপে তথাকথিত ছোট দলগুলোর চমক

ক্রিকেটের বিশ্বায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ সাল থেকেই ২০টি দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করে আইসিসি। সেই সুবাদে স্বাভাবিকভাবেই টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া দলগুলোর পাশাপাশি অনেক সহযোগী দেশকেও বিশ্ব আসরে দেখার সুযোগ মেলে। এবারের বিশ্বকাপে যেন শুরু থেকে বড় দলগুলোকে একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে সহযোগী দেশগুলো।

ক্রিকেটের বিশ্বায়নের লক্ষ্যে ২০২৪ সাল থেকেই ২০টি দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সেই সুবাদে স্বাভাবিকভাবেই টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া দলগুলোর পাশাপাশি অনেক সহযোগী দেশকেও বিশ্ব আসরে দেখার সুযোগ মেলে। এবারের বিশ্বকাপে যেন শুরু থেকে বড় দলগুলোকে একের পর এক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে সহযোগী দেশগুলো।

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে কলোম্বোতে নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হয় পাকিস্তান। টসে জিতে বোলিং এর সিদ্ধান্ত নেন সালমান আঘা। এক বল হাতে থাকতেই ১৪৭ রানে অলআউট হয়ে যায় ডাচরা।

সেই ১৪৮ রান তাড়া করতেও বেশ বেগ পেতে হয় বাবর-সায়িমদের। ম্যাচের এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল, নেদারল্যান্ডস যেন ইতিহাস তৈরির দ্বারপ্রান্তে। সাত উইকেট হারিয়ে দুই ওভারে তখন ২৯ রান দরকার পাকিস্তানের। তবে ফাহিম আশরাফের কৃতিত্বে লজ্জাজনক হার থেকে বেঁচে যায় পাকিস্তান।

তৃতীয় ম্যাচে ওয়াংখেড়েতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ভারত। সেই ম্যাচেও শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বোলিং আক্রমণের শিকার হয় ভারতীয় ব্যাটারেরা। পাওয়াপ্লেতেই ৪৬ রান সংগ্রহ করতে গিয়ে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। ১৩ ওভার শেষে ছয় উইকেট হারিয়ে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৭৭ রান।

তবে সেই থেকে সুরিয়াকুমার যাদবের দায়িত্বশীল ও অতিমানবীয় ইনিংসের সুবাদে ১৬১ রানের কষ্টার্জিত পুঁজি সংগ্রহ করে ভারত। পরবর্তীতে ২৯ রানে জিতে নেয় ম্যাচ।

দ্বিতীয় দিনেও ক্রিকেট বিশ্ব দেখে আরেক চমক। একই স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামে ইংল্যান্ড ও নেপাল। ইংলিশদের দেওয়া ১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে অপরাজেয় মানসিকতা প্রদর্শন করে নেপালের ব্যাটারেরা।

জয়ের জন্য শেষ ওভারে দশ রানের প্রয়োজন হয় নেপালের। দারুণ নাটকীয়তার এই ম্যাচ গড়ায় একদম শেষ বল পর্যন্ত। শেষে গিয়ে চার রানে ম্যাচ হারে নেপাল। তিন ম্যাচেই ক্রিকেট বিশ্বের তিন পরাক্রমশালী দেশকে সহযোগী দেশগুলোর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link