যতটা গর্জালেন, ততটা বর্ষালেন কি উসমান তারিক? ভারতের সমস্ত পরিকল্পনায় যে ছিলেন তাঁকে ঘিরে। অনুশীলন থেকে শুরু করে প্রেস কনফারেন্স সবখানেই যে জুজুর ভয় হয়ে ভারতকে তাড়া করেছেন উসমান তারিক। তবে মাঠের খেলায় কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারলেন?
প্রথমবার বল হাতে এলে ইনিংসের ১১ তম ওভারে। সুরিয়াকুমার যাদব যেন তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন। প্রথম বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে স্বাগতম জানালেন তাঁকে। তবে এদিন আর সকালের সূর্য দেখে দিনটা অনুমান করা গেল না।
প্রথম দুই ওভারে ১৬ রান খরচা করলেন উসমান। লড়াইটা যে জিতে নিয়েছেন সেটা বলার উপায় যেমন নেই, তেমনই খুব একটা খারাপ বলার সুযোগ রাখেননি উসমান। তবে আসল খেলাটা যে দেখা গেল ডেথ ওভারে এসে।

১৭ ওভার বল হাতে উসমান, ভারত যে আগ্রাসনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দেবে সেটা অনুমেয় ছিল। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন উসমান। সফলতা পেলেন না ঠিকই, তবে দিলেন মোটে চার রান। ভারতের গতি মন্থর হয়ে গেল ওখানে।
তবে প্রতিশোধ পরায়ণতা নিজের ভেতরে একটু একটু করে ফুসে উঠছিল যেন উসমানের মধ্যে। যার কারণ হয়ে ক্রিজে দাঁড়িয়ে সুরিয়া। সেট হয়ে গেছেন, নিজের আসল রূপটা দেখানোর সব প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন সুরিয়া। তবে দাবার মোক্ষম চালটা উসমান দিলেন। ১৯ তম ওভারে এসে তুলে নিলেন সুরিয়াকে। শুধু তাই নয়, খরচা করলেন চার রান। অর্থাৎ চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে শিকার এক উইকেট।
এই পরিসংখ্যানটা খালি চোখে আহামরি কিছুই না। তবে ভারতের অন্তত ১০ থেকে ১৫ রান কমিয়ে দিয়েছেন উসমান। যে ছক কষা হয়েছিল তাঁকে নিয়ে, সেই বলয় ভেদ করে ভারতকে বেধে রেখেছেন তিনি। অর্থাৎ জয়টা দিনশেষে তারই।












