জয়ের ব্যাটে জয়জয়কার!

মাহমুদুল হাসান জয় যেন বাইশ গজে সৌন্দর্যের ঝড় তুললেন। চট্টগ্রামের হয়ে ৭১ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেললেন। যে ইনিংসটা মনে রাখার মতো, রীতিমতো চোখ জুড়ানো, মন ভোলানো। জয়ের এই ইনিংসের সুবাদে ঢাকা মেট্রোও জয় পেল আট উইকেটে।

মাহমুদুল হাসান জয় যেন বাইশ গজে সৌন্দর্যের ঝড় তুললেন। চট্টগ্রামের হয়ে ৭১ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেললেন। যে ইনিংসটা মনে রাখার মতো, রীতিমতো চোখ জুড়ানো, মন ভোলানো। জয়ের এই ইনিংসের সুবাদে ঢাকা মেট্রোও জয় পেল আট উইকেটে।

চট্টগ্রামের জন্য লক্ষ্যটা ছিল ১৮৬ রানের। এই রানের পাহাড় টপকাতে হলে ওপেনিং থেকে ভালো শুরুর দরকার ছিল। আর সেই দায়িত্ব যেন নিজের কাঁধে তুলে নিলেন জয়। মুমিনুল হককে সাথে নিয়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালাতে লাগলেন। একেকটা শটে মুগ্ধতা ছড়ালেন।

মুমিনুল ফিরলেও শাহাদাত হোসেন দিপুর সাথে মিলে চালিয়ে যান ধ্বংসযজ্ঞ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য থামেন ৩৭ বলে ৭১ রানের ইনিংস খেলে। চারটা চার ছয় ছক্কার সাহায্যে স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ১৯২। যতক্ষণে সাজঘরে ফিরছেন দলের জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়। আর বাকি কাজটা শেষ করেন দিপু। ৩৬ বলে অপরাজিত ৬৪ রানের ইনিংস খেলেই নিশ্চিত করেন দলের জয়।

তবে ঢাকা মেট্রোর শুরুটাও হয়েছিল বেশ দুর্দান্ত। নাইম শেখ আর মাহফিজুল ইসলামের ব্যাটিং ঝড়ে দারুণ শুরু পায় তারা। আসে ৮১ রানের ওপেনিং জুটি। দুজনের বিদায়ের পর অবশ্য কিছুটা ছন্দপতন ঘটে ঢাকার।

আর সেখানেই মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞ ফিনিশিং। বয়সকে উপেক্ষা করে খেলেন ২২ বলে ৪১ রানের ঝড়ো ইনিংস। সঙ্গী হিসেবে অবশ্য পেয়েছিলেন আবু হায়দার রনিকে। রনির ব্যাট থেকেও আসে ১২ বলে ২৪ রানের দায়িত্বশীল এক নক। আর তাতেই ঢাকা মেট্রোর সংগ্রহ দাঁড়ায় ছয় উইকেট হারিয়ে ১৮৫।

তবে সবকিছু ফিকে হয়ে গেল জয় আর দিপুর ব্যাটিংয়ে। ঢাকা মেট্রোর দেওয়া রানের পাহাড় আট উইকেট এবং ১৯ বল হাতে রেখেই টপকে গেল চট্টগ্রাম বিভাগ। রিয়াদ-রবিনদের দুর্দান্ত ইনিংস ম্লান হতে বাধ্য হলো জয়-দিপুদের ব্যাটিং ঝড়ের সামনে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link