শেষ বেলার ঝলক কিংবা একটা স্পেশাল মোমেন্ট! বিরাট কোহলির ক্যাচটাকে কি বলা যায়, এই বয়সেও কি দারুণ রিফ্লেক্স! আজও তিনি দলের নিবেদিত প্রাণ, প্রায় ৩৭ বছর বয়সেও তিনি নিজেকে উজার করে দিয়ে যান মাঠে।
ওয়াশিংটন সুন্দর বল হাতে জাদু দেখালেন, কিন্তু আলোটা যেন পড়ে রইল বিরাট কোহলির দিকে। ২৩ তম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারি। সুন্দর বল করলেন অফ স্টাম্পের ওপর ফ্লাইটেড এক ডেলিভারি। ম্যাথিউ শর্ট নামলেন হাঁটু গেড়ে, উদ্দেশ্য স্পষ্ট—সুইপ শটে বাউন্ডারি আদায়ে করে নেওয়া।

বলটা ঠিক জায়গায় পড়েছিল, শটেও কোনো ভুল ছিল না। ব্যাটে লেগে ছুটল সোজা স্কয়ার লেগে দাঁড়িয়ে থাকা কোহলির দিকে। খুব কাছ থেকে আসা বল, রিফ্লেক্সে সময় পেলেন মাত্র কয়েক মিলি সেকেন্ড।
কিন্তু, কোহলি যেন মুহূর্তেই বুঝে গেলেন—ঝাঁপিয়ে পড়ে উল্টো হাতে তালুবন্দি করলেন সেই বলটি! কোনো ভুল নেই। উদ্বেলিত সিডনির দর্শক। শর্ট তখন হতাশ মুখে প্যাভিলিয়নের পথে। ৪১ বলে ৩০ রান করেই থামতে হল তাঁকে। সুন্দর পেলেন গুরুত্বপূর্ণ উইকেট, আর কোহলি তুলে নিলেন দিনের সেরা ক্যাচগুলোর একটি।

বল হাতে শৃঙ্খলা, ফিল্ডিংয়ে আগুন—এই দু’য়ের মেলবন্ধনেই ভাঙল অস্ট্রেলিয়ার জুটি। আসলে এই আগুনটা খোদ বিরাট কোহলির, যে আগুন তিনি ছড়িয়ে দেন গোটা দলের মধ্যে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।










