আগের দিনের ম্যাচ সেরা, এদিনও অব্যাহত রাখলেন পারফরমেন্সের ধারা। যদিও সাকিব আল হাসানকে খুব বেশি দায়িত্ব পালন করতে হয়নি গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে। দুই ওভারের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দিনটা কেটেছে তার বেশ ভালভাবেই।
আইএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের শুরুতে একটু খাবি খাচ্ছিলেন সাকিব আল হাসান। ব্যাট হাতে সেই সাবলীলতা এখন আর নেই। এখনও হেলমেটের স্ট্র্যাপ কামড়ে ধরে ব্যাটিংটা তার করতে হয়। তাতে যে স্বাচ্ছন্দ্য নেই, তার আর না বলে দিলেও চলছে।
অতএব বল হাতে তার হওয়া চাই টপনচ। কিন্তু সেটাও শুরুর দিকে ছিল অনুপস্থিত। কিন্তু ভোল পালটে যেতে শুরু করে, তার খেলা ব্যক্তিগত তৃতীয় ম্যাচে। ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে চার ওভারে ১৪ রান দিয়ে বাগিয়েছেন দুইটি উইকেট। তাও আবার বাতাস আর তার হাতের কারিকুরির সংমিশ্রণে।

এরপর ব্যাট হাতেও দলের জয়ে রেখেছিলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ম্যাচ জিতিয়ে তবেই ছেড়েছেন মাঠ। সেই ধারাবাহিকতা সহজেই হাওয়া হতে দিলেন না সাকিব। গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে দুই ওভার বল করলেন। সেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং এদিনও ছিল উপস্থিত। দুই ওভারে বল করে বিলিয়েছেন মোটে ১০টি রান।
সেই দশ রানের একটি ছিল ছক্কার মার। বাকি চার রান নিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের প্রান্ত বদল করতে হয়েছে চারবার। অর্থাৎ সাকিবের ছোড়া সাত বলে কোন প্রকার রানই নিতে পারেননি গালফের ব্যাটাররা। তবে সাকিবের এমন দারুণ বোলিং পূর্ণতা পায়নি স্রেফ মুহাম্মদ ওয়াসিমের ব্যর্থতায়।
একেবারে সহজ এক ক্যাচ। ওই সেই সাকিবের বাতাসের সাথে সখ্যতা, এমন এক বলে স্লগ সুইপ করেন মঈন আলী। বল চলে যায় মিডউইকেটে। খানিকটা এগিয়ে এসে ক্যাচটা প্রায় ধরেই ফেলেছিলেন ওয়াসিম। কিন্তু শেষ অবধি তা হাত ফসকে যায়। তাতে করে উইকেট শূন্যই থাকতে হয়েছে সাকিব আল হাসানকে।

১৪২ রানের টার্গেটে এদিন আর সাকিবকে ব্যাট হাতে নামতে হয়নি বাইশ গজে। অনায়াসেই তার দল এমআই এমিরেটস ম্যাচটি জিতে নেয়, আট উইকেট ও ২১ বল বাকি থাকতে। উইকেটের আক্ষেপ ছাপিয়ে ছন্দ ফিরে পাওয়া সাকিব যেন চোখের আনন্দ। বাইশ গজে তিনি তার সময়টুকু উপভোগ্য করে যেতে পারছেন সেটাই সম্ভবত প্রাপ্তি।











