অজি অধিনায়কদের মাঝে স্মিথের অবস্থান কোথায়?

আর্মব্যান্ড পরা অবস্থায় রান করার দিক দিয়েও সফল এই ডানহাতি। ভারতের বিপক্ষে ১৬৪ রানের অতিমানবীয় ইনিংসটা তো অধিনায়ক হিসেবেই খেলেছেন তিনি। আর সবমিলিয়ে ৬৪ ম্যাচে করেছেন ২২৭০ রান, ব্যাটিং গড় ৪৩.৬৫। অধিনায়ক থাকাকালে তাঁর চেয়ে বেশি রান করতে পেরেছেন মাত্র চারজন - রিকি পন্টিং, মাইকেল ক্লার্ক, স্টিভ ওয়াহ এবং অ্যালান বর্ডার। 

অধিনায়কত্ব হারিয়ে ফেলেছিলেন, প্যাট কামিন্সের অধীনেই আবার জিতেছিলেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ। তবে বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সেরা ব্যাটারকে ভাগ্য সুযোগ করে দিয়েছে অধিনায়ক হিসেবে বিদায় বলার, সেই সুযোগ দু’হাতে লুফে নিয়েছেন তিনি। কামিন্সের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বভার আসে তাঁর কাঁধে, আর সেমিফাইনালে হেরে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ইতি টানেন তিনি।

সন্দেহ নেই, অজিদের ইতিহাসে দুর্ধর্ষ নেতৃত্ব গুণ নিয়ে অনেকেই এসেছেন। তবে স্মিথের মত গেমসেন্স আর দক্ষতা খুব কমের মাঝে দেখা গিয়েছে। এখন প্রশ্ন অস্ট্রেলিয়ার সেরা ওয়ানডে অধিনায়কদের তালিকায় তাঁর অবস্থানটা আসলো কোথায়?

সবমিলিয়ে ৬৪টি পঞ্চাশ ওভারের ম্যাচে টস করতে নেমেছিলেন এই ব্যাটার। সর্বোচ্চ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করার রেকর্ডে তিনি আছেন ছয় নম্বরে। এর মধ্যে ৩২ ম্যাচে জয় পেয়েছে তাঁর দল, আর হেরেছে ২৮ ম্যাচে।

আর্মব্যান্ড পরা অবস্থায় রান করার দিক দিয়েও সফল এই ডানহাতি। ভারতের বিপক্ষে ১৬৪ রানের অতিমানবীয় ইনিংসটা তো অধিনায়ক হিসেবেই খেলেছেন তিনি। আর সবমিলিয়ে ৬৪ ম্যাচে করেছেন ২২৭০ রান, ব্যাটিং গড় ৪৩.৬৫। অধিনায়ক থাকাকালে তাঁর চেয়ে বেশি রান করতে পেরেছেন মাত্র চারজন – রিকি পন্টিং, মাইকেল ক্লার্ক, স্টিভ ওয়াহ এবং অ্যালান বর্ডার।

যদিও অধিনায়ক স্মিথের কমতি আছে, অস্ট্রেলিয়াকে কোন মেজর টুর্নামেন্ট জেতাতে পারেননি তিনি। ২০১৫ সালে মাইকেল ক্লার্কের অধীনে শিরোপা জিতেছিলেন, আট বছর পর একই স্বাদ পেয়েছেন কামিন্সের নেতৃত্বে। শুধু কি তাই? ২০১৮ সালে স্যান্ডপেপার কান্ড তাঁর ব্যক্তিত্বে দাগ ফেলে দিয়েছিল।

তবে এতকিছুর পরেও এই তারকা অজি ইতিহাসের অন্যতম সেরা। হয়তো পন্টিং বা ওয়াহ হতে পারেননি, কিন্তু তিনি নিজের কাজটা করেছেন সম্ভাব্য সেরা উপায়েই। তাঁর ট্যাকটিকাল জ্ঞান, চাপের মধ্যে শান্ত থাকার সামর্থ্য তাঁকে অস্ট্রেলিয়ান কাপ্তানদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় পৌঁছে দিয়েছে।

Share via
Copy link