টেস্ট ফরম্যাটে রোহিত শর্মার অধ্যায় প্রায় ফুরিয়ে এসেছে, ব্যতিক্রমী কিছু না ঘটলে সাদা পোশাকে তাঁকে আর খুব একটা দেখা যাবে না। তাই নতুন করে ভাবতে হচ্ছে ভারতকে, বিশেষ করে অধিনায়ক হিসেবে রোহিতের উত্তরসূরী কে হবেন সেটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে জাসপ্রিত বুমরাহর পাশাপাশি উঠে আসছে আরো দুইটি নাম – ঋষাভ পান্ত এবং যশস্বী জয়সওয়াল।
তিন সংস্করণে ভিন্ন ভিন্ন অধিনায়ককে দায়িত্ব দেয়ার সংস্কৃতি ভারত খুব একটা অনুসরণ করে না। রোহিত শর্মাও একইসঙ্গে তিন সংস্করণের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। কিন্তু এবার বোধহয় ভিন্ন পথে হাঁটবে টিম ইন্ডিয়া; বলা ভাল, হাঁটতে বাধ্য হবে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরই এই ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছিলেন হিটম্যান; ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে এখন আছেন সুরিয়াকুমার যাদব। তাঁর অধীনে অবশ্য বেশ গুছানো অবস্থায় আছে দলটা, সবশেষ সিরিজেও ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়েছে তাঁরা। যদিও বাকি দুই ফরম্যাটে সুরিয়াকে ব্যবহারের সুযোগ নেই, সেজন্যই বাকিদের নিয়ে ভাবতে হচ্ছে টিম ম্যানেজম্যান্টকে।

ওয়ানডেতে অবশ্য ব্যাপারটা তেমন কঠিন নয়, শুভমান গিল ইতোমধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে তিনি একাদশে জায়গা পাকা করেছেন, খুব সম্ভবত পঞ্চাশ ওভারের খেলায় তিনিই হবেন ভারতের পরবর্তী অধিনায়ক। এক্ষেত্রে হার্দিক পান্ডিয়ার নাম উঠলেও গিল এগিয়ে আছেন; ফিটনেস ইস্যুর কারণেই হার্দিককে পিছনে ফেলে টি-টোয়েন্টিতে দায়িত্ব পেয়েছিলেন সুরিয়া, ওয়ানডেতেও ঘটতে যাচ্ছে একই ঘটনা৷
তবে টেস্টে ব্যাপারটা বেশি জটিল, জাসপ্রিত বুমরাহ এই মুহূর্তে সেরা পছন্দ। কিন্তু তাঁর ওয়ার্কলোড বিবেচনা করে এবং বোলার হিসেবে তাঁকে নির্ভার রাখতে অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতে আগ্রহী ভারত। সেজন্যই শোনা যাচ্ছে যশস্বী জয়সওয়াল এবং ঋষাভ পান্তের নাম – দু’জনেই লাল বলের নিয়মিত মুখ।
এদের মধ্যে পান্তের আইপিএল এবং জাতীয় দলে অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতাও আছে। তবে দৌড়ে পিছিয়ে নেই জয়সওয়াল, পারফরম্যান্স, বয়স এবং গেম সেন্সের কথা ভাবলে তিনিই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবেন।











