ভারতীয় দলের মহেন্দ্র সিং ধোনির সবচেয়ে বড় ভক্ত কে? উত্তরে সবার আগেই আসবে শচীন টেন্ডুলকারের নাম। এমনকি বলা হয়, ধোনি অধিনায়ক বনে গিয়েছিলেন খোদ শচীনের সুপারিশেই।
সম্প্রতি, শচীন টেন্ডুলকার ‘আস্ক মি এনিথিং’-এ ভক্তদের জন্য রেখেছিলেন বিশেষ সুযোগ। ভক্তরা চাইলেই তাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবে এবং তিনি তার উত্তর দিবেন। সেখানে একজন প্রশ্ন করে বসেন -‘ধোনিকে কেন ২০১১ বিশ্বকাপে অধিনায়ক করা হয়?’এদিকে অন্য এক ভক্ত জানতে চান তার খেলা প্রিয় ইনিংস কোনটি?
বিরেন্দ্র শেবাগ একবার বলেছিলেন – ২০১১ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে, যুবরাজের আগে নামার জন্য ধোনিকে পরামর্শ দিয়েছিলেন শচীন টেন্ডুলকার। সেই ম্যাচে ধোনি ৭৯ বলে খেলেছিলেন ৯১ রানের বিশ্বকাপজয়ী ইনিংস। একটি সঠিক সিদ্ধান্তই যে পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরাতে পারে, তারই দৃষ্টান্ত উদাহরণ এটি।

রেডিটে আর এক ভক্ত শচীন তেন্ডুলকারকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, কেন তিনি এত বড় একটি পরিবর্তন বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে করেছিলেন। ভারতের প্রাক্তন এই অধিনায়ক জানান, তিনি চেয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ওপরে ব্যাট করতে নামুক। এর পেছনে দুটি কারণ ছিল।
প্রথমত, ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের নেট সেশনে লঙ্কান স্পিনার মুত্তিয়া মুরালিধরনের বিপক্ষে নিয়মিত ব্যাট করতেন এবং তার বল মোকাবিলায় অভ্যস্ত ছিলেন। দ্বিতীয়ত, ক্রিজে বাঁহাতি-ডানহাতি ব্যাটিং কম্বিনেশন বজায় রাখাই ছিল শচীনের লক্ষ্য।
তাঁর প্রিয় ইনিংস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ২০০৮ সালের চেন্নাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা টেস্টের কথা বলেন। যে ম্যাচে করেছিলেন সেঞ্চুরি। ইনিংসটি ছিল অক্টোবর ঘটে যাওয়া মুম্বাইয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলার ঠিক পরপরই। পুরো দেশ ছিল শোকস্তব্ধ। ৩৮৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, টেন্ডুলকার ১৯৬ বল খেলে রান করেন ১০৩।

শচিন টেস্ট ও ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের মালিক। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেনে করেছে শতকের সেঞ্চুরি। তাইতো, তাকে বলা হয় ক্রিকেটের ঈশ্বর।










