চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে দরকার ছিল ৩৬ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলা, যশস্বী জয়সওয়াল সেটা করেছেন। গুজরাট টাইটান্সের সাথে দরকার ছিল ৩৬ বলে ৫৫ রান তোলা, জয়সওয়াল তাই করেছেন। টি-টোয়েন্টিতে কি ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যায়, এই প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক তখনই হয় যখন নামটা যশস্বী জয়সওয়াল।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রতিটি আসর যেন তাঁর ব্যাটের মূর্ছনায় মুখরিত হওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে। জয়সওয়াল রানের ফোয়ারা ছড়িয়ে দেন গোটা আইপিএল জুড়ে। কখনও খুনে মেজাজ, চোখ থেকে ঠিকরে বের হয় আগ্রাসনের ফুলকি, আবার কখনো তাঁর ব্যাট হয়ে যায় শান্ত নদী। চুপিসারে রানের ঢেউ আছড়ে পড়ে।
২০২৩ থেকে ২০২৫ এই তিন আসরে জয়সওয়ালের সর্বনিম্ন রান ৪৩৫। জয়সওয়াল যেন পরিণত হয়েছেন রান মেশিনে। সেই ধারাবাহিকতা দেখা গেল এবছরেও।

প্রথম ম্যাচে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রাজস্থান। লক্ষ্যটা ছিল মাত্র ১২৮ রানের। বৈভব সুর্যভানশির ঝড়ের দিনে জয়সওয়াল পালন করেছিলেন নীরব ভূমিকা। আগ্রাসন নয়, বেছে নিয়েছিলেন একপ্রান্ত আগলে রাখার কাজটা।
দ্বিতীয় ম্যাচে গুজরাটের বিপক্ষে এবার লক্ষ্য ছুড়ে দেওয়ার দিন। জয়সওয়াল তাই নিজের চরিত্র বদলে ধারণ করলেন আগ্রাসী রূপ। সেই ৩৬ বল মোকাবিলা করলেন ঠিকই, তবে এবার রানটা ৫৫। গত ম্যাচে ১০৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করা জয়সওয়াল, এই ম্যাচে স্ট্রাইক রেটটা তুললেন ১৫২-তে। একেবারে সময়ের দাবি মেনে ব্যাটিং যাকে বলে।
জয়সওয়ালকে নিয়ে নানা কারণেই চর্চা চলে। তাঁর মধ্যে অন্যতম পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করার ক্ষমতা। এই গুণ সবার মধ্যে থাকে না, যারা পেয়েছেন তারা বিশেষ হয়েছেন। জয়সওয়াল সেই সৌভাগ্যবানদের একজন।

Share via:











