অধিনায়কের কাজ কেবল মাঠে অধিনায়কত্ব করা নয়, মাঠের বাইরে ড্রেসিংরুম সামলানোটাও তাঁর প্রধান দায়িত্ব। অনেক অধিনায়কই ছিলেন যারা নিজেরা ভাল পারফরম করতেন, নেতৃত্বগুণও ভালো ছিল কিন্তু ড্রেসিংরুম সামলাতে না পারায় সফল হতে পারেননি। তবে ইউনুস খান এদিক দিয়ে ব্যতিক্রম, পাকিস্তানের ইতিহাসের সেরা অধিনায়কদের আলোচনায় তাঁর নাম খুব একটা শোনা না গেলেও ড্রেসিরুম দুর্দান্তভাবে সামাল দিতে পারতেন তিনি।
সম্প্রতি মোহাম্মদ আমির তুলে ধরেছেন সে কথা; পাকিস্তানের দলপতি থাকাকালে কিভাবে ইউনুস দায়িত্ব পালন করতেন সে গল্প তিনি তুলে ধরেছেন গণমাধ্যমের সামনে। হয়তো উদাহরণ তৈরি করতে চেয়েছেন বর্তমান দলপতিদের কাছে।
এই পেসার বলেন, ‘২০০৯ সালের কথা, নিউজিল্যান্ডের কাছে সিরিজ হেরে গিয়েছিলাম। তখন ইউনুস ভাই আমাকে এবং আরো দু’জন তরুণ ক্রিকেটারকে ডেকে পাঠান। এরপর আমাদের বলেন, দলের সঙ্গে কি কি হচ্ছে আমি সব জানি। এসব তোমাদের বলার কিছু না, তবে একটা কথা জেনে রাখো পাকিস্তানের তোমাদের দরকার আছে। তো এসব থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে।’

সাবেক অধিনায়কের প্রশংসা করে আমির আরো বলেন, ‘সেসময় যাই ঘটতো ইউনুস ভাই নিজে এগিয়ে যেতেন। বলতেন আমি দেখব সব, আমি দলের নেতা আমাকে দেখতে দাও। অধিনায়কত্ব তো আসলে এটাই; এভাবে দায়িত্ব নিতে হয়।’
অধিনায়ক হিসেবে আলোচিত না হলেও ২০০৯ সালে এই কিংবদন্তি দেশকে এনে দিয়েছিলেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা। এরপরই টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছিলেন, তবে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন আরো ছয় বছর পর।
অবশ্য ব্যাটার হিসেবে ইউনুস নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় লিখে গিয়েছেন। পাকিস্তানের সর্বকালের সেরাদের একজন বটে তিনি। একমাত্র পাকিস্তানি হিসেবে টেস্ট ফরম্যাটে দশ হাজারের বেশি রান করেছেন, আর তাঁর ব্যাটিং গড় পঞ্চাশের বেশি।











