জিম্বাবুয়ের দুইয়ে দুই!

দুইয়ে দুই জিম্বাবুয়ে। ২০০৭ বিশ্বকাপের পর ২০২৬ বিশ্বকাপ দুই দেখাতেই প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়ার দর্পচূর্ণ করেছে জিম্বাবুয়ে, বড় মঞ্চে অজিদের নাকানিচুবানি খাইয়েছে। সিকান্দার রাজার দলটা তাই অঘটন ঘটায়নি, স্রেফ এক বিষ্ময়কর ইতিহাসের পূর্ণজন্ম ঘটিয়েছে।

দুইয়ে দুই জিম্বাবুয়ে। ২০০৭ বিশ্বকাপের পর ২০২৬ বিশ্বকাপ দুই দেখাতেই প্রতাপশালী অস্ট্রেলিয়ার দর্পচূর্ণ করেছে জিম্বাবুয়ে, বড় মঞ্চে অজিদের নাকানিচুবানি খাইয়েছে। সিকান্দার রাজার দলটা তাই অঘটন ঘটায়নি, স্রেফ এক বিষ্ময়কর ইতিহাসের পূর্ণজন্ম ঘটিয়েছে। ২৩ রানে অজিদের হারিয়ে আরও এক ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে।

এদিন টস জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। এই সিদ্ধান্তটাই যেন ভুল হয়ে ফিরে আসতে থাকে অজি শিবিরে। ওপেনিং জুটিতেই জিম্বাবুয়ের স্কোরবোর্ডে আসে ৬১ রান। শুধু তাই নয়, আগ্রাসী মেজাজেই রান তুলেছে তারা।

অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ যেন ছন্নছাড়া, নিস্তেজ এক এক শক্তি। সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছেন ব্রায়ান বেনেট। শুরু থেকেই একপ্রান্তে ঢাল হয়ে থেকেছেন। ব্যক্তিগত খাতায় যোগ করেছেন অপরাজিত ৬৪ রান। মাঝের সময়টাতে রায়ান বার্ল আর শেষদিকে সিকান্দার রাজার ক্যামিওতে ভর করে দুই উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান তোলে জিম্বাবুয়ে।

বোলিংটা অস্ট্রেলিয়াসুলভ না হলেও ব্যাটিং নিয়ে প্রত্যাশা ছিল একটু বেশি। তবে সেই আশায় গুড়ে বালি। তাসের ঘরের ভেঙে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার টপ অর্ডার। পাওয়ার প্লে-তেই ৩৮ রান তুলতে চার উইকেট হারায় তারা। ওখান থেকে উঠে এসে ১৭০ রান চেজ করা তখন অলীক স্বপ্নই।

তবে সম্ভাবনার আলো দেখা যায় রেনশো এবং ম্যাক্সওয়েলের ব্যাটে। ৭৭ রানের জুটি গড়ে মান বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করেন। সেটাও বৃথায় গেছে। ব্লেসিং মুজরাবানি আর ব্রাড ইভান্সের বোলিং তোপে দিশাহারা হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষটাতে ২৩ রানে জয় তুলে নেয় জিম্বাবুয়ে।

২০০৭ সালের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিল জিম্বাবুয়ে। অঘটন হিসেবে ধরতেই পারেন আপনি। তবে ২০২৬ সালে এসে মাইটি অস্ট্রেলিয়াকে হারানোকে অঘটন বলা যাবে কি? বিশ্বকাপের দুই দেখায় যে অস্ট্রেলিয়া একটিও জিততে পারেনি।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link