নাহিদকে ব্যাটার বানানোর প্রয়াস!

বোল্ড, বোল্ড, আবার বোল্ড, মাঝের একটা বল বাদ দিলে টানা তিনবারই নাহিদ রানার আগলে রাখা স্টাম্পে আঘাত হেনেছে বল। ব্যাটারদের ঘুম হারাম করা নাহিদ যেন ব্যাট হাতে বড্ড খামখেয়ালি।

বোল্ড, বোল্ড, আবার বোল্ড, মাঝের একটা বল বাদ দিলে টানা তিনবারই নাহিদ রানার আগলে রাখা স্টাম্পে আঘাত হেনেছে বল। ব্যাটারদের ঘুম হারাম করা নাহিদ যেন ব্যাট হাতে বড্ড খামখেয়ালি। বলের সঙ্গে সখ্যতা থাকলেও ব্যাটটা যেন কথাই শোনে না তার। শিষ্যের এমন পর্যদুস্ত অবস্থা দেখে এগিয়ে গেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। বুঝিয়ে দিলেন আসলে কী করতে হবে।

মনোযোগী ছাত্রের মতো সবটা বুঝে নিলেন নাহিদ। এরপর মানিয়ে নিতে চাইলেন ব্যাটের সঙ্গে। কাজেও দিল, বেশ কিছু বল সজোরে হাঁকিয়েছেন। আবার ভালো বলটাকে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলেছেন। তবে তাঁর দায়িত্ব পরিষ্কার, প্রপার টেল-এন্ডার ব্যাটার যে হতে হবে তাঁকে, আশরাফুলের চোখেমুখেও সেই প্রয়াস দেখা গেল।

কখনও কখনও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন টেল-এন্ডাররা। ক্রিকেটের ভাষায় একটা কথা আছে, যে দলের টেল-এন্ডার যত বেশি শক্তিশালী সেই দলের জয়ের সম্ভাবনাও প্রবল। বাংলাদেশ সেটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। তাই তো  ব্যাটারদের পাশাপাশি বোলারদের ব্যাট চালানোর দীক্ষা দেওয়া হচ্ছে।

টেল-এন্ডারের ছোট্ট একটা উপকারিতা প্রথম ম্যাচেই দেখা গিয়েছিল, তাসকিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়ার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার পাশাপাশি নিজেও গুরুত্বপূর্ণ ২০ রান আদায় করেছিলেন। ওটাই মূলত পার্থক্য গড়ে দেয়।

ঠিক এই কাজটাই সবাইকে দিয়ে করাতে চান আশরাফুল। নাহিদ রানার সঙ্গে বিশেষ ক্লাসটা তাই এ কারণেই। তাসকিনের মতো যদি বিপদে নাহিদরাও ঢাল হয়ে দাঁড়াতে পারেন তবে যে আখেরে লাভটা বাংলাদেশেরই হবে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link