হেম্প-অ্যাডামস, বাংলাদেশের নয়া ব্যাটিং ও বোলিং কোচ

অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং ও পেস বোলিং কোচের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডেভিড হেম্প। আর পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক পেস অলরাউন্ডার আন্দ্রে অ্যাডামস।

বিসিবি’র সাথে আপাতত এ দুই কোচের চুক্তির মেয়াদ ২ বছর। আগামী ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-২০ সিরিজ দিয়ে তাদের এ মেয়াদকাল শুরু হবে। ডেভিড হেম্পের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট অবশ্য নতুন কিছু নয়। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যাটিং কোচ হিসেবে সর্বশেষ নিউজিল্যান্ড সিরিজেই তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এ ছাড়া বাংলাদেশ এইচপি দলের কোচ ছিলেন তিনি। আর তার আগে পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন হেম্প। খেলোয়াড়ি জীবনে সহযোগী দেশ বারমুডার হয়ে খেললেও কাউন্টি ক্রিকেটে রয়েছে তাঁর সমৃদ্ধ এক ক্যারিয়ার। গ্ল্যামারগন, ওয়াউইকশায়ারের হয়ে সব মিলিয়ে ১৫০০০ এর উপরে রান করেছেন তিনি।

খেলোয়াড়ি জীবনের পাঠ চুকিয়ে এরপর কোচিংয়ে মনোনিবেশ করেন হেম্প। এরই মধ্যে লেভেল-৪ সম্পন্ন করা রয়েছে তাঁর। পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের হয়ে কাজ করার আগে নারী বিগব্যাশের দল মেলবোর্ন স্টার্সের প্রধান কোচ ছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতার একটা ছোঁয়া পেতে যাচ্ছে লিটন-শান্তরা।

এ দিকে বোলিং কোচ হিসেবে আন্দ্রে অ্যাডামসেরও অভিজ্ঞতা কম নয়। ২০১৮ থেকে ২০২৩, দীর্ঘ ৫ বছর তিনি অস্ট্রেলিয়ান শেফিল্ড ট্রফির দল নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজের বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

এ ছাড়া সবশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও কিউইদের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি ২০২২ এর দিকে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী কোচ হিসেবেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। এখন দেখার পালা, হেম্প-অ্যাডামসের এই যুগলবন্দীতে কতটা উপকৃত হয় বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা।

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link