নিষেধাজ্ঞার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে চেলসি

এছাড়া আয়-ব্যয়ের হিসেবেও দ্য ব্লুজদের ভাগ্য সুতোয় ঝুলছে। দুই মৌসুম মিলিয়ে কোন ক্লাব আয়ের চেয়ে সর্বোচ্চ ৪০ মিলিয়ন ইউরো বেশি ব্যয় করতে পারবে। কিন্তু প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় ২০২২/২৩ মৌসুমে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি তাঁরা; ইতোমধ্যে প্রায় নব্বই মিলিয়ন ইউরো ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের।

মাঠের সাফল্য নয়, বরং ট্রান্সফার উইন্ডোতে দাপিয়ে বেড়ানোর দিকেই যত মনোযোগ চেলসির। একগাদা ফুটবলার কিনে স্কোয়াড ভারী করতে ব্যস্ত তাঁরা; গত দুই বছরে এক বিলিয়নের ইউরোর বেশি খরচ করে ফেলেছে। এমন অপরিকল্পিত অর্থ খরচের কারণে যা হওয়ার তাই হলো; উয়েফার ফাঁদে আটকা পড়লো দলটি – ভাগ্য একান্ত সহায় না হলে বড়সড় শাস্তির মুখে পড়তে যাচ্ছে তাঁরা।

মোটের ওপর উয়েফার দুইটি অর্থনৈতিক নিয়ম ভেঙেছে ইংলিশ ক্লাবটি। সিস্টার কোম্পানির কাছে দুইটি হোটেল বিক্রির ৭৬.৫ মিলিয়ন ইউরো তাঁরা আয়ের খাতে নিবন্ধন করেছিল। আবার নারী দলের মালিকানা তাঁরা প্যারেন্ট কোম্পানির নিকট স্থানান্তর করেছিল, যা আইনগতভাবে ন্যায়সঙ্গত নয়।

কিন্তু এসব উয়েফার নিয়মানুযায়ী বৈধ নয়। আর সেজন্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষ করে রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত বিষয়ে উয়েফা এখন অনেক বেশি কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তাই আর্থিক অসামঞ্জস্যতা ঢাকতে চেলসি যদি এমন অসদুপায় অবলম্বন করে থাকে তাহলে নিশ্চিত শাস্তি পেতে যাচ্ছে তাঁরা।

এছাড়া আয়-ব্যয়ের হিসেবেও দ্য ব্লুজদের ভাগ্য সুতোয় ঝুলছে। দুই মৌসুম মিলিয়ে কোন ক্লাব আয়ের চেয়ে সর্বোচ্চ ৪০ মিলিয়ন ইউরো বেশি ব্যয় করতে পারবে। কিন্তু প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ায় ২০২২/২৩ মৌসুমে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি তাঁরা; ইতোমধ্যে প্রায় নব্বই মিলিয়ন ইউরো ক্ষতির মুখোমুখি হতে হয়েছে তাদের।

এক্ষেত্রে সম্ভাব্য শাস্তি কি হতে পারে? আর্থিক জরিমানা থেকে শুরু করে নিষেধাজ্ঞা নিয়ম রয়েছে উয়েফার৷ এখন দেখার বিষয়, চেলসির অপরাধ আসলে কতটুকু – যদি লঘুপাপ হয় তাহলে এবারের যাত্রায় হয়তো জরিমানা দিয়েই পার পাবে তাঁরা। কিন্তু উল্টোটা হলে উয়েফার প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ হবে দলটি।

চলতি মৌসুমে কনফারেন্স লিগে জায়গা করে নিয়েছে লন্ডনের এই ক্লাব। নিষিদ্ধ হলেও সেটার প্রভাব পড়বে না এতে, কিন্তু পরের মৌসুমে যোগ্যতা থাকলেও খেলা হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বা ইউরোপার মত মর্যাদার টুর্নামেন্টে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link