ভারতের পেস আক্রমণের নেতা এখন আক্ষরিক অর্থেই আর্শদ্বীপ সিং। জাসপ্রিত বুমরাহ ছিটকে গেছেন, ফলে দায়িত্বটা সম্পূর্ণ তাঁর কাঁধে। আর সেই দায়িত্বটা যেন ভার নয়, বরং নিজের শক্তিতে পরিণত করেছেন আর্শদ্বীপ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে সেটাই প্রমাণ করলেন তিনি— গতি, সুইং আর বুদ্ধিমত্তার মিশেলে এক নিখুঁত স্পেল উপহার দিলেন এই তরুণ পেসার।
ভারতের দেওয়া পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। দুই ওপেনারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের পর ভারতের দিন বদলের সূচনা করেন আর্শদ্বীপ সিং। বোলিংয়ে কার্যত ভারতকে আবারও ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। প্রমাণ করেন, জাসপ্রিত বুমরাহকে ছাড়াও পারে ভারত।
তাঁর প্রথম শিকার বেন ডাকেট, যিনি তখন জমে যাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। ম্যাচ বের করার ক্ষমতা রাখতেন ডাকেট। পরে ফিল সল্টও শিকার হন আর্শদ্বীপের। এরপর আর মাথা তুলে দাঁড়াতে সক্ষম হয়নি ইংল্যান্ড।

আর্শদ্বীপ জানেন, উইকেট নেওয়াটা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ চাপ সৃষ্টি করা। প্রতিটি বলেই তিনি ইংলিশ ব্যাটারদের ভাবতে বাধ্য করেছেন। কখনও ফুল লেংথ ডেলিভারি, কখনও শর্ট বল, কখনও ভেতরে ঢোকা সুইং— সবরকম অস্ত্রই ছিল তাঁর হাতে।
ইংল্যান্ডের রান তাড়া করা থমকে গেল সেখানেই। মাঝখানের এই ধাক্কা তারা আর সামলাতে পারেনি। ভারতের বড় সংগ্রহের পর ইংল্যান্ডের শুরুটা যতটা ভয়ঙ্কর ছিল, আর্শদ্বীপের স্পেলে তা ততটাই স্তব্ধ হয়ে গেল।
ভারত পেয়েছে এক নতুন পেস লিডার, যিনি শুধু উইকেট নেন না— প্রতিপক্ষের আত্মবিশ্বাসেও আঘাত হানতে পারেন! দুয়ারে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ভারতের পেস বোলিংয়ের নতুন নেতাও প্রস্তুত।











