গ্লেন ফিলিপস, তুমি এটা কি করলে? গোটা দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম যেন সেটাই বলতে চাইল! বোকা বনে গেলেন খোদ বিরাট কোহলিও! গ্যালারি থেকে আনুশকা শর্মার অভিব্যক্তিও তাই বলছে, কিভাবে কি হয়ে গেল!
৩০০ তম ওয়ানডে খেলতে নামা কোহলিকে এর চেয়ে বড় ‘সারপ্রাইজ’ দেওয়ার কোনো উপায় ছিল না নিউজিল্যান্ডের। বোলিংয়ে ম্যাট হেনরি, ওভার দ্য উইকেট, শর্ট ডেলিভারি, অফ স্টাম্পের বাইরে, ব্যাটে বলে হয়েছে – কোহলি কাট করলেন, ব্যস! মুহূর্তেই থামল গোটা স্টেডিয়াম।

গ্যাপ ভেবেছিলেন কোহলি, নিশ্চিত বাউন্ডারিই ছিল। কিন্তু গ্যাপে নেই, সেখানে গ্লেন ফিলিপস! ডাইভিয়ে এক হাতে শিকার করলেন, অবিশ্বাস্য ক্যাচ! এই তো একটু আগেই সেট হতে শুরু করেছিলেন কোহলি, এখন মাথা নিচু করে হাঁটছেন ড্রেসিংরুমের পথে।
যেন শিকারের অপেক্ষায় থাকা বাজপাখি, এক ঝাঁপ, ডান হাত বাড়িয়ে দিলেন – এবং কী ক্যাচ! বল প্রায় ওঁর পেছনে চলে গিয়েছিল, কিন্তু শরীরকে শূন্যে ভাসিয়ে, মাটির সমান্তরালে থেকেও বলটাকে আঁকড়ে ধরলেন!

ভারত গভীর সমস্যায়। প্রথম তিন ব্যাটার ফিরে গেছেন সাজঘরে আর ফিলিপস? উঠে দাঁড়িয়ে হাসছেন, যেন এটা তাঁর রুটিন ওয়ার্ক! এর আগে একই অবিশ্বাস্য কায়দায় ফিরিয়েছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ানকে, এবার বিরাট কোহলি!
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বলতেই পারে, ইজ হি রিয়েল? গ্লেন ফিলিপস কি বাঁজপাখি? নাকি ভিন্নগ্রহের কোনো এক ফিল্ডার? নাকি জন্টি রোডসের শক্তি ভর করেছে গ্লেন ফিলিপসের ওপর? কোনো রিয়্যাকশন টাইম ছাড়াই যেভাবে তিনি হাতে লুফে নিলেন বিরাট কোহলির ক্যাচ – তাতে প্রশ্ন উঠতেই পারে – গ্লেন ফিলিপস কি সত্যিই রক্ত মাংসের মানুষ! তুমি এটা কিভাবে করলে, ফিলিপস?











