২৫০ স্ট্রাইকরেটের গতিবেগে একটা টর্নেডো আছড়ে পড়ল পাকিস্তানের বোলারদের উপর। ফিন অ্যালেন ব্যাট হাতে পাহাড় সম জলোচ্ছ্বাসের জন্ম দিলেন। চার-ছক্কার প্রবল বর্ষণে প্রায় প্রতিটা বলের ঠিকানা হয়েছে বাউন্ডারির ওপারে।
মোটে ২০টি বল খেছেন ফিন অ্যালেন। তাতেই তার নামের পাশে যুক্ত হয়েছে ৫০টি রান। যদিও অর্ধশতকের মাইলফলক তিনি স্পর্শ করেছেন মাত্র ১৯ বলে। যার মধ্যে নয়টি বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি। তিনটি সুবিশাল ছক্কার সাথে সাথে দ্বিগুণ চারও হাঁকিয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের ওপেনিংয়ে উড়ন্ত সূচনা এসেছে তার হাত ধরেই।
তার ওই স্বল্প সময়ের তাণ্ডবলীলাতে বড় রানের ভীত গড়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। শেষ অবধি ২২০ রানে থেমেছেন ব্ল্যাক্যাপসদের ইনিংস। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচটায় টসে জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল পাকিস্তান। সেই সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেছেন ফিন অ্যালেন।

তার ওপেনিং পার্টনার টিম সাইফার্টও আগ্রাসনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিলেন। ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৪৪ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। দলের বাকি ব্যাটাররাও শুরুর সেই মেজাজ অনুযায়ী ব্যাট চালিয়েছেন। তাতে করে পাকিস্তানের জন্যে একটা বেশ বড়সড় লক্ষ্যমাত্রা সেট করে ফেলে নিউজিল্যান্ড।
তবে আগের দিন হাসান নওয়াজের কল্যাণে ২০৪ রানের লক্ষ্যও টপকে গিয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচে আর তেমনটি ঘটেনি।
অ্যালেনের বেধম প্রহারে এদিন যেন নিউজল্যান্ডের বোলাররাও নব উদ্দ্যম খুঁজে পায়। আর অ্যালেনের ইনিংসটি আরও একবার টি-টোয়েন্টিতে ‘ফায়ারিং স্টার্ট’- এর মাহাত্ম্য বোঝাল।












