বছর জুড়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরে বেড়াতে হয়, আবার আইপিএলের মত দীর্ঘমেয়াদি টুর্নামেন্ট রয়েছে। তাই পরিবারের সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটানোর সৌভাগ্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের হয় না। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ভাগ্য আরো করুণ পরিণতি নিয়ে হাজির হয়েছে। তাঁরা বাধ্য হয়েছেন বিবাহ বিচ্ছেদে। আর বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনকে ভরনপোষণের জন্য সবচেয়ে বেশি অর্থ দিয়েছেন এমন তিন তারকাকে নিয়ে আজকের আয়োজন।
- শিখর ধাওয়ান
বয়সে ১০ বছরের বড়, দুই সন্তান রয়েছে – তবু আয়েশা মুখার্জির প্রেমে আটকা পড়েছিলেন শিখর ধাওয়ান। ২০১২ সালে বিয়ে করেন তাঁরা, দুই বছর পর পৃথিবীতে আসে তাঁদের প্রথম সন্তান। কিন্তু একটা সময় পর সব বদলে যায়, সম্পর্কে তিক্ততা বাড়তে বাড়তে ২০২৩ সালে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ গড়ে ধাওয়ানের। এবং ক্ষতিপূরণ হিসেবে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ায় থাকা এই ব্যাটারের সম্পত্তির বড় একটা অংশ দাবি করেন আয়েশা।

- হার্দিক পান্ডিয়া
ভারতীয় ক্রিকেটের ব্যাড বয় হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে একটা নাইটক্লাবে দেখা হয়েছিল নাতাশা স্ট্যানকোভিচের। ২০২০ সালে ঘরোয়া ভাবো বিয়ে হয় দু’জনের, দুই মাস পরই ঘর আলো করে আসে তাঁদের সন্তান। এরপর ২০২৩ সালে মহা আয়োজন করে বিয়ের অনুষ্ঠান করেন হার্দিক। কিন্তু পরের সময়টা তাঁর হয়ে উঠে বিভীষিকাময়, শেষমেশ ২০২৪ সালে বিচ্ছেদ ঘটে তাঁদের। গুঞ্জন রয়েছে, হার্দিকের মোট সম্পত্তির ৭০ শতাংশ চেয়েছেন নাতাশা। তবে এখনো নিশ্চিত কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

- যুজবেন্দ্র চাহাল
দুর্ভাগাদের ক্লাবে সবশেষ যোগ দিয়েছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০২০ সালে ধনশ্রী ভার্মার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তিনি; স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সরব ছিলেন এই ক্রিকেটার, তাঁদের নাচ আর দুষ্টুমির ভিডিও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু সুখী থাকতে পারলেন কই আর, চলতি বছর আলাদা হয়ে গিয়েছেন এই দম্পতি। আর সেজন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৪.৭৫ কোটি রুপি দিতে হবে চাহালকে। ইতোমধ্যে ২.৩৭ কোটি রুপি পরিশোধ করেছেন তিনি।











