ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে মাঝেমধ্যেই ফ্রাঞ্চাইজি মালিকরা নজর কাড়েন। কখনো তাদের আবেগের প্রকাশ ঘটিয়ে, কখনো আবার খেলোয়াড়দের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে। তেমনই এক চরিত্র সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের কাভিয়া মারান। গ্যালারিতে বসেও তিনি যেন মাঠের ক্রিকেটের সাথে মিশে যান। কিন্তু সেই মিশে যাওয়ারও একটা গণ্ডি রয়েছে। তিনি কখনোই সেই গণ্ডির ওপারে যাওয়ার চেষ্টা চালান না।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তেমনটিই জানিয়েছেন হায়দ্রাবাদের সাবেক পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। হায়দ্রাবাদ ছেড়ে এবার তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জার্সি গায়ে চড়িয়েছেন। তবে পুরনো মালিকপক্ষের বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্যই করেছেন ভুবনেশ্বর।
কাভিয়া মারান জানেন তার এখতিয়ার ঠিক কতটুকু। তিনি অঢেল অর্থ খরচ করেছেন। স্বাভাবিকভাবেই দলের জয়-পরাজয় তার আবেগকে প্রভাবিত করে। দলের পরাজয়ে তারও মেজাজ খারাপ হয়। কিন্তু তিনি কখনোই খেলোয়াড়দের দোষারোপ করেন না। তিনি খেলোয়াড়দের কাছে জানতেও চাননা, ‘কেন এমনটা হল?’- তেমনটিই জানিয়েছেন ভুবনেশ্বর।

তিনি বলেন, ‘তিনি (কাভিয়া) দলের মালিক এবং আমরা বুঝি যে তিনি দলে অনেক বিনিয়োগ করেছেন। খেলোয়াড়দের মতোই তাই মালিকও মানসিকভাবে ব্যথিত হন, কিন্তু কখনোই তিনি কোনো খেলোয়াড় বা কোচের সততা নিয়ে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্রশ্ন তোলেননি।’
এমন অনেক উদাহরণই তো রয়েছে আইপিএলের মঞ্চে। এমনকি লখনৌ সুপার জায়ান্টসের মালিক সঞ্জীব গোয়েনকাকে তো মাঠের ভেতরই খেলোয়াড়দের সাথে অসদাচরণ করতে দেখা গেছে। লোকেশ রাহুল তো সেই ক্ষোভ থেকে দলই ছেড়েছেন, আর কখনো সেই দলের হয়ে খেলবেন না বলেই জানিয়েছেন। তাছাড়া এবারে তিনি নির্ভার হয়ে দূর্দান্ত পারফরম করে যাচ্ছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে।
ভুবি হায়দ্রাবাদের মালিক সম্পর্কে আরও বলেন, ‘আমরা ভালো খেলতে না পারলেও তিনি (কাভিয়া) সবসময় দলের পাশে থাকেন।’ দলের খারাপ সময়ে ফ্রাঞ্চাজির মালিকদের কাছ থেকেও খারাপ ব্যবহার নয়, বরং সমর্থন আর একটু বিশ্বাসই প্রত্যাশা করেন খেলোয়াড়রা। সেই ভরসার জায়গাটুকু দিচ্ছেন কাভিয়া মারান। তাইতো বাউন্স ব্যাক করলে সানরাইজার্স রীতিমত ইতিহাস গড়ে।












