ফুরিয়ে আসছে বাটলারের দিন, শেষটা হবে কি রঙিন!

ফর্ম যে তার একেবারে তলানিতে- সেটা ভীষণ স্পষ্ট। বয়সও বেড়েছে তার। অতএব বিদায়ের সময় এসে গেছে। কিন্তু জশ বাটলারের রয়েছে ভিন্ন ভাবনা। 

গড় ১০.৮৭, আট ইনিংসে রান ৮৭। এই পরিসংখ্যানগুলো জশ বাটলারের। কিছুদিন আগে শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার বাজে পারফরমেন্সকে স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলছে। বয়সও বেড়েছে তার। অতএব বিদায়ের সময় এসে গেছে। কিন্তু জশ বাটলারের রয়েছে ভিন্ন ভাবনা।

এই ভারত ও শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন খুব একটা অচেনা নয় বাটলারের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে তিনি খেলে যাচ্ছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। তাইতো এই উপমহাদেশকে বলা যেতে পারে বাটলারের চেনা আঙিনা। কিন্তু সেই আঙিনায় বড্ড বেশি বিবর্ণ ছিলেন বাটলার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা পাঁচ ম্যাচে তার সংগ্রহ ছাড়ায়নি দুই অঙ্কের ঘর।

এখানেই শেষ নয়। শেষ চারটি আইসিসি আয়োজিত বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ২৭ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছিলেন জশ বাটলার। এই সময়ে কেবল একবারই তিনি পঞ্চাশ রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। টি-টোয়েন্টিতে টানা ১৫ ইনিংস ধরে একটাও ফিফটি হাঁকাতে পারেননি। ফর্ম যে তার একেবারে তলানিতে- সেটা ভীষণ স্পষ্ট।

বর্তমানের বাটলারের বয়স ৩৫। একজন ক্রিকেটারের গোধূলি লগ্ন। এমন সময়ে পরন্ত ফর্ম বাটলারের জাতীয় দলে ভবিষ্যত শঙ্কার মুখে ফেলে দিয়েছে। তবে বাটলার বিশ্বাস করে, তিনি আরও বেশখানিকটা পথ পাড়ি দিতে পারবেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে। জুলাইয়ে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দলে তিনি জায়গা পাবেন বলেই মত তার।

এক পডকাস্টে তিনি বলেন, ‘উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমার অবশ্যই আছে, কিন্তু যেহেতু আমি আর অধিনায়ক নই, নির্বাচকও নই, তাই যা হওয়ার তাই হবে। দেখা যাক।’ তবে জাতীয় দলের হয়ে মাঠের নামার আগে পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে বাটলারের সামনে। আইপিএল খেলতে চলেছেন তিনি গুজরাট টাইটান্সের হয়ে।

সেখানে আবারও নিজের চেনা ছন্দের প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই হয়ত শঙ্কার মেঘ আপাতত দূর হবে। ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে পাঁচ টি-টোয়েন্টি ও তিন ওয়ানডে ম্যাচের সিরিজেও খেলার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তবে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপকে ভাবনায় রেখে বাটলারকে পরিকল্পনার রাখবে কি-না ইংলিশ টিম ম্যানেজমেন্ট, সেটাই এখন ভাবনার বিষয়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link