রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলি – নামের ভারে আর আটকে থাকবে না ভারত। স্বয়ং বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) গ্রেট দুই ক্রিকেটারের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।
সুতোয় ঝুলছে রোহিত -কোহলিদের ভবিষ্যৎ। ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁদের অবদানের কমতি নেই। তবে, বয়সের গতি যেন দিন দিন চিড় ধরাচ্ছে তাদের আসনে। ব্যাটের ধার কমছে ধীরে ধীরে, সেই সাথে কমছে তাদের উপর আস্থার জায়গা। তাই তো কপালে চিন্তার ভাজ বিসিসিআইয়ের।
ভারত জাতীয় দলের কেন্দ্রীয় চুক্তির সময় সাধারণত হয়ে থাকে অক্টোবর থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর শেষ চক্রটি শেষ হয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। নতুন চুক্তি কবে প্রকাশিত হবে তা নিয়ে চলেছে অনেক কানাঘুঁষা।

বছরের শুরুতেই প্রকাশ পাবে নতুন তালিকা, এমনটাই বলাবলি হচ্ছিল। তবে, শীর্ষস্থাীয় ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় চুক্তির ঘোষণা পিছিয়ে যেতে পারে এ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, এত দীর্ঘসূত্রিতা কেন! বোর্ডের অন্দরমহল জানিয়েছে, বিলম্বের পেছনে রয়েছে একাধিক কারণ। প্রথমত ভারতের টেস্ট পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ অসন্তুষ্ট বোর্ড। অষ্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হার দিয়ে শুরু, এরপর ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হার বাড়িয়েছে অসঙ্গতি।
যদিও অনেকটা নির্ধারিত হয়ে গেছে তরুণ ব্যাটার ঈশান কিষাণের ভাগ্য। টেস্ট ক্রিকেটে এক্স ফ্যাক্টর ধারাবাহিকতা। যা কথা বলছে না ঈশানের পক্ষে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে মূলত রোহিত- কোহলিদের নিয়েই। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ব্যাট হাতে বিরাট কোহলির অধারাবাহিকতাও দুশ্চিন্তার অন্যতম কারণ।
২০২৩-২৪ মৌসুমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে, ওয়ানডেতেও দারুণ করছে দল। তাই তো বোর্ডের অনেকেই মনে করছেন, রোহিত-কোহলি বা অভিজ্ঞ জাদেজার চুক্তির গ্রেড কমানো উচিত হবে না।
বিসিসিআইয়ের অবশ্য রয়েছে আরো বড় পরিকল্পনা । দল পুর্নগঠনের জন্য সাপোর্ট স্টাফদের সংখ্যা এবং দলের কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছেন কর্তারা। এইজন্যই হয়তো সময় নিচ্ছেন তারা, বড় চমক আসতে যাচ্ছে পরবর্তী চুক্তিতে।












