বড় দল নিয়ে বড় লজ্জা পেলো হায়দ্রাবাদ

আজ যে রাজা কাল সে ফকির। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ যেন এই প্রবাদের অস্তিত্ব রক্ষা করলো। গেল আসরে রানার্সআপ দলটা এবারের আসরে সম্ভাবনাও জাগাতে পারেনি। যতটুকু সুযোগ ছিল, গুজরাটের কাছে হেরে তাতে যেন কফিনের শেষ পেরেকটি ঠুকলো প্যাট কামিন্স বাহিনী।

আজ যে রাজা কাল সে ফকির। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ যেন এই প্রবাদের অস্তিত্ব রক্ষা করলো। গেল আসরে রানার্সআপ দলটা এবারের আসরে সম্ভাবনাও জাগাতে পারেনি। যতটুকু সুযোগ ছিল, গুজরাটের কাছে হেরে তাতে যেন কফিনের শেষ পেরেকটি ঠুকলো প্যাট কামিন্স বাহিনী।

টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত রীতিমতো কাল হয়ে দাঁড়ালো হায়দ্রাবাদ জন্য। ঘরের মাঠে গুজরাটের দুই ওপেনার রীতিমতো তাণ্ডব চালাতে লাগলো। ওপেনিং জুটি ভাঙার আগেই দুই ব্যাটার তুলেছে ৬.৫ ওভারে ৮৭ রান।

শাই সুদর্শন প্রতিনিয়ত আলো ছড়াচ্ছেন ব্যাট হাতে। নিজেকে মেলে ধরার সুযোগটা আইপিএলে কাজে লাগিয়ে উড়ছেন ফিনিক্স পাখির মতোই। ড্রেসিংরুমে ফেরার আগে ২৩ বলে খেলেন ৪৮ রানের ইনিংস, যা গুজরাটের ভিত গড়ে দেয়।বাকি কাজটা করেন ক্যাপ্টেন গিল এবং বস বাটলার। গিলের ৭৬ এবং বাটলারের ৩৭ বলে ৬৪ রানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২২৪ রানের বড় সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে জমা করে গুজরাট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু হায়দরাবাদের। পুরনো ফুরিয়ে যাওয়া হেড-অভিষেক জুটি ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বোলারদের। তবে ৪৯ রানের মাথায় হেড ফিরে গেলে ফিকে হয়ে আসে অরেঞ্জ আর্মিদের সম্ভাবনা।

একপ্রান্তে তখন ভয়ংকর হয়ে ওঠেন অভিষেক শর্মা। খেলেন ৪১ বলে ৭৪ রানের ইনিংস। তবে কাজের কাজটা আর হয় না এদিন। ইশান কিশানের টানা ব্যর্থতা বজায় ছিল এ ম্যাচেও।

ক্লাসেনও পারেননি নিজের ক্লাসটা দেখাতে। তাই তো শেষ পর্যন্ত নতি স্বীকার করতে হয় গুজরাটের বোলারদের কাছে। গুজরাটের কাছে ৩৮ রানে হেরে  হায়দ্রাবাদ আরেকটি হারের গল্প লেখা হয় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।

ম্যাচ জিতে প্লে-অফের সমীকরণ এখন জমিয়ে দিয়েছে গুজরাট। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুই নম্বরে শুভমান গিলের দল।
অন্যদিকে, নামে ভারে কমতি ছিল না  হায়দ্রাবাদ। তবে ছিল মাঠের খেলায় পারফরম্যান্স। তাই তো বড় বাজেটের দল নিয়ে বড় লজ্জায় পেতে হলো তাদের।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link