ডাক লজ্জার বাংলাদেশি চূড়া

সব রেকর্ড গর্বের নয়। কিছু  রেকর্ড কষ্টেরও হয়। সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে ফেরত যাওয়ার তালিকাটা হল তেমনই এক আক্ষেপের রেকর্ড।

সব রেকর্ড গর্বের নয়। কিছু  রেকর্ড কষ্টেরও হয়। সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে ফেরত যাওয়ার তালিকাটা হল তেমনই এক আক্ষেপের রেকর্ড।

আক্ষেপের খাতায় টি-টোয়েন্টিতেতে বাংলাদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে উপরের নামটা হল সাকিব আল হাসানের। ৩২ বার ডাক মারেন তিনি! বিস্ময়কর হলেও এটাই সত্য। চলমান পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) টানা দুই ম্যাচে ডাক মেরে তিনি ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করেন।

নিচেই আছেন সৌম্য সরকার — ৩১ বার ডাক মারেন তিনি। সাকিব এই সৌম্যকেই ছাড়িয়ে ডাকের সিংহাসনে বসেছেন। এক ম্যাচে স্ট্রোক প্লে, পরের ম্যাচেই ড্রেসিংরুমের দিকে শুরুতেই হতাশ হয়ে হেটে চলা! সৌন্দর্য আছে, স্থায়িত্ব নেই — এই এক সমস্যায় সৌম্যর ক্যারিয়ার হাবুডুবু খাচ্ছে সব সময়।

ইমরুল কায়েস, তামিম ইকবার, মুশফিকুর রহমান — তাঁরাও আছেন এই তালিকায়। টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে ২২, ২০ ও ১৯ টি করে ডাক মেরেছেন তাঁরা। এর মধ্যে তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা ব্যাটার হিসেবে পরিচিত। ফলে, তাঁদের এই তালিকায় স্থান পাওয়াটা খুবই দৃষ্টিকটু।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link