ভারতের টেস্ট সিংহাসনে গিল!

টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব পেলেন তরুণ শুভমান গিল। ঋষাভ পান্ত, লোকেশ রাহুল কিংবা জাসপ্রিত বুমরাহ ছাপিয়ে গিলের ওপর আস্থা রাখল বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

নতুন সূর্যোদয় হল ভারতের ক্রিকেটে। টেস্ট অধিনায়কের দায়িত্ব পেলেন তরুণ শুভমান গিল। ঋষাভ পান্ত, লোকেশ রাহুল কিংবা জাসপ্রিত বুমরাহ ছাপিয়ে গিলের ওপর আস্থা রাখল বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

লাল বলের ক্রিকেট যেখানে চরিত্রের পরীক্ষাগার, সেখানে নেতৃত্বের পরীক্ষায় নামছেন ২৫ বছরের তরুণ গিল। সামনে অপেক্ষা করছে দ্য গ্রেট ইংলিশ সামার ও পাঁচ টেস্টের কঠিন সিরিজ। বয়সের হিসাবে ভারতের পঞ্চম সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট অধিনায়ক তিনি।

তাঁর চেয়ে কম বয়সে ভারতের টেস্ট দলের নেতৃত্বে ছিলেন কেবল মনসুর আলী খান পতৌদি (২১ বছর), শচীন টেন্ডুলকার (২৩), কপিল দেব (২৪) ও রবি শাস্ত্রী (২৫ বছর ২২৯ দিন)। গিলের চ্যালেঞ্জ তাই বিরাট বড়!

ভারতের টেস্ট আকাশ বিদায় নিয়েছেন পুরনো সূর্যরা—রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, রবিচন্দ্রন অশ্বিন —তিন স্তম্ভ একসঙ্গে চলে যাওয়ার পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তার উত্তর যেন একটিই নাম – শুভমান গিল। রোহিত-বিরাটের জায়গায় দলের সাথে যুক্ত হয়েছেন করুণ নায়ার ও সাই সুদর্শন। ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেলেন তাঁরা।

দলে নেই অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ শামি। ডাক পেয়েছেন শার্দূল ঠাকুর। সব মিলিয়ে বিসিসিআই আর টিম ম্যানেজমেন্ট বাজি ধরেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ওপর।

যদিও লাল বলের ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে অভিজ্ঞতা খুব বেশি নেই গিলের। প্রবীণ রাজারা হঠাৎ সিংহাসন ছেড়ে দিলে যুবরাজকে প্রস্তুতির আগেই পাঠিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধক্ষেত্রে। তেমনটাই হল গিলের ক্ষেত্রে।

১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। মুম্বাইয়ে বোর্ডের সদরদপ্তরে আলোচিত এক বৈঠকে বসেছিলেন অজিত আগারকারের নির্বাচক কমিটি। সেখান থেকেই আসে ঘোষণা। গিলের হাত ধরেই ভারত এখন লিখবে ভবিষ্যতের গল্প।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link