তারকারহীন বিপিএলের ভরসা পাকিস্তান

পিএসএল যেহেতু পিছিয়ে এপ্রিল-মে মাসে হবে, তাই পাকিস্তানি খেলোয়াড়রাই হবেন বিপিএলের প্রাণভোমরা। কিন্তু, সেটা করতে গিয়ে মানহীন খেলোয়াড়রা চলে আসেন কি না - সেটা দেখতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকেই।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) সোনালি দিন আর নেই। শুরুতে তারকার ছড়াছড়ি থাকত। বিশ্বসেরা ক্রিকেটাররা খেলতেন। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের প্রভাব ছিল সীমিত।

ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর নজর তখন বেশি ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার দিকেই। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র বদলেছে। এখন বিপিএলের বড় ভরসা পাকিস্তানি খেলোয়াড়রাই।

আগামী আসরে সেই নির্ভরতা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আসন্ন বিপিএলের সম্ভাব্য সূচি তাঁদের পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীল হতে বাধ্য করছে।

এদিকে টুর্নামেন্টের সময় কিছুটা এগিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে বিসিবি। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু হতে পারে পরবর্তী বিপিএল। কিন্তু সেই পুরোনো সমস্যা থেকেই যাচ্ছে— একসঙ্গে একাধিক লিগ আয়োজন হচ্ছে বিশ্বজুড়ে।

আসছে দুই ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে আরব আমিরাতের আইএলটি-২০। ১৪ ডিসেম্বর মাঠে নামবে বিগ ব্যাশ, ২৬ ডিসেম্বর থেকে সাউথ আফ্রিকার এসএ২০, এ মাসেই নিউজিল্যান্ডের সুপার স্ম্যাশ। সঙ্গে নতুনভাবে যোগ হচ্ছে শ্রীলঙ্কার এলপিএল, যা এবার হবে ২৭ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

স্বাভাবিকভাবেই এলপিএল চলাকালে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের ছাড়পত্র দেবে না দেশটির বোর্ড। ফলে এবারও বিপিএলের সবচেয়ে বড় সংকট — মানসম্পন্ন বিদেশি ক্রিকেটার পাওয়া। সেই সংকট এবার আরও বাড়তে পারে।

তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পুরোপুরি হতাশ নয়। পিএসএল যেহেতু পিছিয়ে এপ্রিল-মে মাসে হবে, তাই পাকিস্তানি খেলোয়াড়রাই হবেন বিপিএলের প্রাণভোমরা। কিন্তু, সেটা করতে গিয়ে মানহীন খেলোয়াড়রা চলে আসেন কি না – সেটা দেখতে হবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকেই। কারণ, বিসিবি এখানে কার্যত নীরব দর্শক।

Share via
Copy link