জ্যাকসের ঝড়ে উড়ে গেল ইংল্যান্ডের দুশ্চিন্তা!

ইংল্যান্ডের আকাশে একটু একটু করে ঘনীভূত হচ্ছে চাপের মেঘ। চারপাশে বিপদ, উদ্ধার করবে কে? ভিড় ঠেলে তখনই বেরিয়ে এলেন উইল জ্যাকস। পূর্বাভাস ছাড়াই তুললেন কালবৈশাখী ঝড়। তাতেই সব চাপ মিলিয়ে গেল, আলো এসে পড়ল ইংলিশদের স্কোরবোর্ডে।

ইংল্যান্ডের আকাশে একটু একটু করে ঘনীভূত হচ্ছে চাপের মেঘ। চারপাশে বিপদ, উদ্ধার করবে কে? ভিড় ঠেলে তখনই বেরিয়ে এলেন উইল জ্যাকস। পূর্বাভাস ছাড়াই তুললেন কালবৈশাখী ঝড়। তাতেই সব চাপ মিলিয়ে গেল, আলো এসে পড়ল ইংলিশদের স্কোরবোর্ডে।

টম ব্যান্টনের বিদায়ের পথ ধরেই ক্রিজে এলেন উইল জ্যাকস। ১০৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা তখন ইংল্যান্ড। তবে জ্যাকস বার্তা ছুঁড়ে দিলেন, আমি তো আছি, ভয় কি।

এরপর ইডেন গার্ডেন্সে চলল এক ধংসযজ্ঞ। ইতালির হাস্যোজ্জ্বল মুখ লুকিয়ে গেল অন্ধকারে। একেকটা বল আছড়ে গ্যালারি, কপালে চিন্তার ভাঁজ সরে যাচ্ছে ইংল্যান্ড শিবিরে।

২১ বলেই ফিফটির দেখা পেলেন জ্যাকস। ব্যাটটা উঁচিয়ে ধরে নিজের আধিপত্য বিস্তার করলেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির দেখা পেলেন, তাও আবার এমন সময় যখন ইংলিশদের রণতরী মাঝ সমুদ্রে দিক হারিয়ে ফেলেছে।

চার ছক্কা আর তিন চার দিয়ে সাজানো ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ছিল ২৪০। সেই সাথে রেকর্ডের পাতায় নিজের নাম লেখালেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ড ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ডটা তাঁরই। জ্যাকসের ঝড়েই শেষমেষ ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে এসেছে ২০২ রান। যা দলকে এনে দিয়েছে স্বস্তি।

Share via
Copy link