হলুদ শিবিরে আর দেখা মেলবে ধোনির?

খেলেননি একটি বলও, তবুও এবারের আইপিএলের তাকে নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনি।ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে বড় প্রশ্ন - আগামী মৌসুমে কি ধোনিকে আবার হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে?

খেলেননি একটি বলও, তবুও এবারের আইপিএলের তাকে নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনি।ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে বড় প্রশ্ন – আগামী মৌসুমে কি ধোনিকে আবার হলুদ জার্সিতে দেখা যাবে? নাকি নীরবেই শেষ হয়ে গেল একটা যুগ? এই নিয়ে মুখ খুলেছেন সিএসকে কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং।

চলতি আসরে চেন্নাইয়ের হয়ে এখনো মাঠে নামেননি সর্বজয়ী এই ভারতীয়বঅধিনায়ক। ধোনিকে নেয়ার অন্যতম লক্ষ্য ছিল তরুণ ক্রিকেটারদের আগামীর জন্য তৈরি করা। কিন্তু চোটের কারণে পুরো মৌসুমেই ড্রেসিংরুমে বন্দি থাকতে হলো তাকে।

​লিগ পর্বের আর মাত্র একটি ম্যাচ বাকি। অথচ ধোনি এখনো হাতে ব্যাট তুলে নেননি। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতেও দাঁড়াননি। স্বভাবতই ফ্লেমিংয়ের দিকে ধোনিকে নিয়ে প্রশ্ন ধেয়ে যায়। তবে ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রাখলেন কিউই কোচ। তিনি জানান, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ফ্র্যাঞ্চাইজি ম্যানেজমেন্ট।

২০০৮ সাল থেকেই চেন্নাই শিবিরের অবিচ্ছেদ্য অংশ ফ্লেমিং ও ধোনি জুটি। ফ্লেমিং স্পষ্ট করেই বলেছেন, ধোনি মাঠে না নামলেও দলের ভেতর তার প্রভাব কমেনি।

তিনি বলেন, ‘এটি ম্যানেজমেন্টের একটি সিদ্ধান্ত। আমি জানি এই বিষয়ে অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। এমএস এই বছর দলের আশেপাশে প্রচুর সময় কাটিয়েছে, যা দলের তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

ফ্লেমিং আরও যোগ করেন, তারা এবার বেশ কিছু নতুন তরুণকে সুযোগ দিয়েছেন। এরাই আগামী দিনে চেন্নাইয়ের স্তম্ভ হয়ে উঠবে। তবে দিনশেষে ক্রিকেটে পারফরম্যান্সই শেষ কথা। তাই ধোনির থাকা না থাকার বিষয়টি পুরোপুরি ম্যানেজমেন্টেরই দেখার বিষয়।

ধোনির চোট নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি যতই কথা বলুক, ক্রিকেট মহলে গুঞ্জন অন্য। অনেকের মতে, তরুণদের সুযোগ দিতেই ধোনি নিজে থেকে দূরে আছেন।

​এরই মাঝে আগামী সোমবার হায়দ্রাবাদের বিপক্ষে ধোনির অনুশীলনে ফেরার খবর আসে। এই খবর ছড়াতেই মুখ খুলেছেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার। তার মতে, টুর্নামেন্টের এই শেষ মুহূর্তে ধোনিকে খেলানো ঠিক হবে না। চেন্নাইয়ের উচিত তরুণদের ওপরই আস্থা রাখা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link