ইশানের ব্যাটে চড়ে প্লে-অফে হায়দ্রাবাদ!

চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত হয়ে যেত। সেটা ভালো করেই জানতেন ইশান কিষাণ, তাই তো সব দায়দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন।

চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে-অফে জায়গা নিশ্চিত হয়ে যেত। সেটা ভালো করেই জানতেন ইশান কিষাণ, তাই তো সব দায়দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন। সমরাঙ্গনে একা লড়ে গেলেন। কোথাও কেউ নেই, তবে হাতে থাকা ব্যাটখানা তো আছে। ওটাকেই তলোয়ার বানিয়ে শাসন করলেন চেন্নাইকে।

নায়ক হতে গেলে চাপ সামলাতে জানতে হয়। সেটা ভালোই জানতেন ইশান। চেন্নাইয়ের দেওয়া ১৮১ রান তাড়া করতে নেমে যখন ট্রাভিস হেডকে হারিয়ে শুরুতেই হোঁচট খায় হায়দ্রাবাদ, তখনই ঢাল হয়ে দাঁড়ান ইশান।

দুই ম্যাচ আগেও অর্ধশতকের দেখা পেয়েছিলেন। তবে সেটা তো অতীত। বর্তমানে কিছু করে দেখাতে হবে—এই ব্রত নিয়ে মাঠে নামা ইশান খেলেছেন ৪৭ বলে ৭০ রানের এক অনবদ্য নক।

শুরুতে কিছুটা মন্থর গতিতে ব্যাট করলেও স্ট্রাইক রোটেট করে খেলার চেষ্টা করেছেন পুরো ইনিংসজুড়ে। আনসুল কাম্বোজ, নূর আহমেদদের বাজে জায়গায় পড়া বলগুলোকে বাউন্ডারি বানিয়ে রানরেটের চাপ কমিয়ে দিয়েছেন দলের জন্য।

তৃতীয় ওভারে ক্রিজে এসে ছিলেন একেবারে ১৯তম ওভার পর্যন্ত। ৪৭ বলে সাত চার আর তিনটি দর্শনীয় ছক্কা হাঁকিয়েছেন। যদিও অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়তে পারেননি, কিন্তু দলকে জয়ের দরজায় এনে তবেই ফিরেছেন সাজঘরে।

কিষাণের এবারের আসরের পঞ্চম ফিফটির দিনে হায়দ্রাবাদ ম্যাচ পাঁচ উইকেটে জিতে নিয়েছে পুরো এক ওভার বাকি থাকতেই। এই জয় তাঁদের এনে দিয়েছে প্লে-অফের টিকিটও। অন্যদিকে, চেন্নাই নিজেদের আশা বাঁচিয়ে রাখল গণিতের মারপ্যাঁচের মধ্যে।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link