অধিনায়কের ইনজুরি না হলে কার্যত ভেঙ্কটেশ আইয়ারের ম্যাচটা খেলাই হয় না। এটা তাঁর সৌভাগ্য। আবার অন্যভাগে ভাবলে দুর্ভাগ্যও বটে। তাঁর তো এখন একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হয়েই আইপিএল খেলার কথা। সেখানে তিনি ম্যাচের পর ম্যাচ ডাগ আউটে বসে কাটান।
মাত্র এক মৌসুম আগেই তিনি কলকাতা ফ্র্যাঞ্চাইজির আইপিএল শিরোপা পুনরুদ্ধারের নায়ক ছিলেন। পরের মৌসুমে তিনিই অধিনায়ক হবে, তাঁকে ঘিরেই কেকেআর দল সাজাবে – তেমনই ধারণা করা হচ্ছিল।
কেকেআর তাঁকে কেন্দ্র করে দল সাজালেও অধিনায়কত্ব দেয়নি। তখন থেকেই কেকেআর ভুগছে। মৌসুম শেষে ভেঙ্কিকেও রাখার প্রয়োজন বোধ করেনি কেকেআর।

ভেঙ্কিকে নিলাম থেকে কিনে নেয় আরসিবি। যদিও, আরসিবির একাদশে জায়গা মিলছিল না বললেই চলে। স্রেফ টিম কম্বিনেশনের জন্য তিনটা ম্যাচ খেলেছেন এর আগে, পারফরম্যান্সে সেই আগের ধার নেই।
তবে, পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একবার যখন সুুযোগটা কাজে লাগালেন, তখন আর পেছনে ফিরে তাকাতে হল না। এক নিমিষে কেকেআর জমানার সকল সুখস্মৃতি ফিরিয়ে আনলেন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার থেকে ক্রিকেটার বনে যাওয়া এই ব্যাটার। বুঝিয়ে দিলেন, তিনি কয়েক মৌসুমের মৌসুমী পাখি নন।
৪০ বল খেলে ৭৩ রান করেন। চারটি ছক্কার সাথে সাথে হাকান আটটি চার। আরসিবির বোর্ডে এনে দেন আকাশ সমান পুঁজি। অনন্য এক কামব্যাকের নিদর্শন গড়লেন। আদতে ভেঙ্কির হার্ডওয়্যারে মরচে ধরেনি, সফটওয়্যার আপটেড হতে একটা সময় লেগে গিয়েছিল।











