কার্তিকেই চেন্নাইয়ের ভরসা!

এবারের আসরে কার্তিকের শুরুটা চেন্নাইয়ের হলুদ জার্সি গায়ে খুব একটা ভালো হয়নি। কিন্তু, শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি।

ফিফটির পর চুপ করিয়ে দেওয়ার ভঙ্গিতে উদযাপন। কার্তিক শর্মা যেন বার্তা ছুড়ে দিলেন, এই মঞ্চ আমার, এখানে গর্জন আমারই চলবে। প্লে-অফের পথে যখন ছুটছে চেন্নাই সুপার কিংস, ঠিক তখনই কার্তিকের এই বিস্ফোরক ইনিংস যেন চেন্নাইয়ের চোখের তৃপ্তি।

এবারের আসরে কার্তিকের শুরুটা চেন্নাইয়ের হলুদ জার্সি গায়ে খুব একটা ভালো হয়নি। কিন্তু, শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, নীরবে ঝড় তুলে চেন্নাইকে এনে দিচ্ছেন একের পর এক জয়। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাথে খেলেন অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস। দিল্লি ক্যাপিটালসের সাথে ম্যাচেও হার না মানা ৪১ রান করে ভূমিকা রাখেন দলের জয়ে।

লখনৌর সাথে চেন্নাইয়ের টপ অর্ডারের ব্যর্থতার দিনে কার্তিককে ২২ গজে নামতে হয় পাওয়ারপ্লের মধ্যেই। কিন্তু, দলের অন্য ব্যাটারদের মতো থমকে যাননি লখনৌর বোলিং লাইনআপের সামনে। বরং, ধীরে ধীরে ইনিংস বড় করে গেছেন।

মোহাম্মদ শামির নেতৃত্বে থাকা লখনৌর বোলিং লাইনআপের বিরুদ্ধে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে থেকেছেন। দর্শকদের মন ভরিয়ে দিয়ে খেলেছেন দর্শনীয় সব শট। ৪২ বলের ইনিংসে ছয়টা বাউন্ডারির সাথে ছিল পাঁচ ছক্কার মার। ১৬তম ওভারে সাজঘরে ফেরার আগে নামের পাশে যোগ করেন ৭১ রান।

চেন্নাই এখন প্রতিটা ম্যাচ খেলছে প্লে-অফকে মাথায় নিয়ে। এরই মধ্যে কোয়ালিফায়ারে যাওয়ার দৌড় থেকে বাদ পড়ে যাওয়া লখনৌর বিরুদ্ধে আরও একবার কার্তিক হয়ে উঠলেন ভরসার প্রতীক।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link