জয়ের ব্যাটে চড়ে চালকের আসনে বাংলাদেশ!

শেষ তিন ইনিংসে ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ রান। এর মধ্যে একটাতে তো রানের খাতা খুলতেই পারেননি। মাহমুদুল হাসান জয় যে চাপে ছিলেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে চাপকে জয় করে বাংলাদেশকে বসালেন চালকের আসনে।

শেষ তিন ইনিংসে ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ রান। এর মধ্যে একটাতে তো রানের খাতা খুলতেই পারেননি। মাহমুদুল হাসান জয় যে চাপে ছিলেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে চাপকে জয় করে বাংলাদেশকে বসালেন চালকের আসনে।

২১ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল পাকিস্তান। তবে সকালটা নিজের করে নেন তাসকিন আহমেদ। প্রতিপক্ষের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে তুলে দেন তিনি। শান মাসুদ আর সৌদ শাকিলকে তুলে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের পেছনে ছোটা পাকিস্তান মুখ থুবড়ে পড়ে সেখানেই। প্রথম সেশন শেষে স্কোরবোর্ডে রান দাঁড়ায় চার উইকেট হারিয়ে ৯৬।

পাকিস্তান ব্যাটারদের আরও এক ব্যর্থতার দিনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান বাবর আজম। একপ্রান্তে লড়াই চালিয়ে যান। ফিফটিও আসে ব্যাট থেকে। সাময়িক বিপর্যয় সামাল দেন সালমান আলী আঘার সঙ্গে ৬৩ রানের জুটি গড়ে। তবে এরপরই তাইজুল ইসলাম-নাহিদ রানাদের বোলিং তোপে ধুলিসাৎ হয়ে যায় পাকিস্তানের ব্যাটিং অর্ডার। থামে ২৩২ রানে।

বাংলাদেশ লিড পায় ৪৬ রানের। তবে শেষ বিকেলে একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। কেমন শুরু পায় বাংলাদেশ? ব্যক্তিগত চার রানে তানজিদ হাসান তামিমের বিদায় ঘটলে একটা শঙ্কা জাগে, বিপদের ঘণ্টা বেজে ওঠে। এরপরই জয়ের আগ্রাসনে জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়েছে পাকিস্তানের বোলিং আক্রমণ। অদৃশ্য চাপকে আর স্কোরবোর্ডে পড়তে দিলেন না। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে ঝড়ের গতিতে তুলতে থাকেন রান।

৬৪ বলে ৫২ রান করে অবশ্য ফিরতে হয়েছে জয়কে। ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার একটা বার্তা যেন দিয়ে গেলেন এই ইনিংস খেলে। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়, বাংলাদেশের দরকার ছিল ভালো শুরু, সেটা এই ৫২ রানের ইনিংসের মধ্যেই নিহিত ছিল। তাই তো দ্বিতীয় দিনের শেষ ভাগে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১১০। শেষ ওভারে মুমিনুল হককে হারানোর ফলে উইকেট খোয়াতে হয়েছে তিনটি। আর লিডটা ১৫৬ রানের।

Share via
Copy link