মনের বাঘেই খেল বাবর আজমকে

পাঁচ ইনিংস মুখোমুখি হয়ে এই নাহিদ রানার বিপক্ষে তৃতীয়বারের মত আউট হয়ে ফিরলেন তিনি। আজকাল সম্ভবত ঘুমের মাঝেও নাহিদ রানার দু:স্বপ্ন দেখেন বাবর।

বাংলাদেশের গলার কাঁটা হয়ে উইকেটে গেঁথে গিয়েছিলেন বাবর আজম। মনে হচ্ছিল, সিলেটেই টেস্ট সেঞ্চুরির চার বছরের ক্ষরার অবসান ঘটাতে চলেছেন তিনি।

তবে, বাংলাদেশের একজন নাহিদ রানা আছেন। যার গতির সামনে বাদশাহ বাবরও অসহায় হয়ে যান। তাই তো, পেস ভেরিয়েশনের মুখে শরীরের কোনো রকম মুভমেন্ট ছাড়াই তিনি ব্যাট পেতে দেন, ফলাফল বল গিয়ে জমা হয় মিড অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে। আবারও নাহিদ রানার ফাঁদেই পা দিলেন বাবর।

এর আগ পর্যন্ত বেশ বাদশাহী মেজাজেই খেলেছেন। দলের দু:সময়ে ক্রিজে আসেন। ২৩ রানে তখন দুই ওপেনার ফিরে গেছেন সাজঘরে। বাবর কাউন্টার অ্যাটাক করে রান বের করেছেন।

৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। ১০ টি বাউন্ডারির এই ইনিংসের স্ট্রাইক রেট ৮০’র ওপরে। তিনি ওয়ানডেতেও এমন স্ট্রাইক রেটেই ব্যাট করেন। মনে হচ্ছিল, সেঞ্চুরি হয়ে যাবে, কিন্তু বাবর হয়ত ভুলে গিয়েছিলেন পেশোয়ার জালমিতে তাঁর হয়েই পিএসএল ট্রফি জেতা নাহিদ রানা খেলেন বাংলাদেশের হয়ে।

পাঁচ ইনিংস মুখোমুখি হয়ে এই নাহিদ রানার বিপক্ষে তৃতীয়বারের মত আউট হয়ে ফিরলেন তিনি। আজকাল সম্ভবত ঘুমের মাঝেও নাহিদ রানার দু:স্বপ্ন দেখেন বাবর।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link