মাঠের ব্যর্থতায় ক্রিকেটারদের শিকল কষছে পিসিবি

মাঠের এই লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের পর এবার মারমুখী মেজাজে বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি। খেলোয়াড়দের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চুক্তির প্রক্রিয়াতেও আসছে আমূল পরিবর্তন।

মাঠের লড়াইয়ে সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না পাকিস্তান ক্রিকেটের। প্রথম টেস্টে ১০৪ রানের শোচনীয় পরাজয় যেন পিসিবির আত্মসম্মানেও বড় এক ধাক্কা। মাঠের এই লজ্জাজনক পারফরম্যান্সের পর এবার মারমুখী মেজাজে বোর্ড প্রধান মহসিন নাকভি। খেলোয়াড়দের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চুক্তির প্রক্রিয়াতেও আসছে আমূল পরিবর্তন।

পিটিআই-এর তথ্য মতে, নতুন চুক্তিতে নামে নয়, বরং পারিশ্রমিক মিলবে মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে। বোর্ড কর্মকর্তারা মনে করছেন, নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর অনেক খেলোয়াড়ই নিজেদের ‘অপরিহার্য’ ভাবতে শুরু করেছেন। যা কি না তাদের মাঝে এক ধরণের আলস্য তৈরি করেছে।

এখন থেকে সিরিজ এবং টুর্নামেন্ট অনুযায়ী খেলোয়াড়দের খতিয়ান বিচার করা হবে। মাঠের লড়াইয়ে যারা ব্যর্থ হবেন, তাদের পারিশ্রমিকের অংকটাও নেমে আসবে নিচের দিকে। এমনকি বর্তমান তালিকায় থাকা অনেক বড় নামই হয়তো নতুন চুক্তিতে আর স্থান পাবেন না।

বোর্ডের আরেকটি দাবি, বিদেশি লিগগুলোর লোভনীয় প্রস্তাব খেলোয়াড়দের নিজস্ব দক্ষতা বাড়ানো বা ফিটনেস রক্ষায় বাধা দিচ্ছে। উল্টো আর্থিক দিকে বেশি মনোযোগী করে তুলছে। তাই নতুন চুক্তিতে বিদেশি লিগ খেলার ক্ষেত্রে আরোপ করা হতে পারে কড়া বিধিনিষেধ।

​অন্যদিকে, যারা টেস্ট ক্রিকেটকে প্রাধান্য দেবেন, তাদের জন্য থাকছে বিশেষ আর্থিক উৎসাহ। টেস্ট খেলোয়াড়দের জন্য বাড়তি প্রণোদনা দিয়ে সাদা পোশাকের ক্রিকেটকে পুনরায় চাঙ্গা করতে চাইছে বোর্ড।

প্রথম টেস্টের হার তো ছিলই, তার ওপর কাটা গায়ে নুন ছিটিয়েছে স্লো ওভার রেটের কারণে আইসিসি থেকে পাওয়া আট পয়েন্ট কর্তনের শাস্তি। এমন অবস্থায় দ্বিতীয় টেস্টের পর অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে এক দীর্ঘমেয়াদী ‘কন্ডিশনিং ক্যাম্প’ ডাকার কথা ভাবছে পিসিবি।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link