লাঞ্চের পরপরই বাংলাদেশের স্কোরবোর্ড আমূল বদলে যায়। মূলত স্কোরবোর্ড প্রেসারে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ দল।
লাঞ্চ বিরতিতে ২৬ ওভারে ১০১ রান তুলে বেশ স্বস্তিতেই ছিল দল। উইকেট হাতে ছিল, মুশফিক ও শান্ত দলকে একটা ভাল অবস্থানে নেওয়ার দিকেই ছিলেন। কিন্তু, লাঞ্চের পরই ভিন্ন চিত্র।
লাঞ্চ থেকে ফিরে শান্ত আউট হওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলেছে ৩৮ বল, অথচ এসেছে মাত্র ৫ রান। অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক মানসিকতায় কাল হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। উইকেটে স্রেফ টিকে থাকার ক্রিকেট এযুগের টেস্ট ক্রিকেটে কেউ খেলে না। সেটা খেলতেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ।

শান্ত ও মুশফিক যদি লাঞ্চের পর স্বাভাবিক ছন্দে রান তোলার চেষ্টা চালিয়ে যেতেন, তাহলে বোলারদের পরিকল্পনা বদলাতে হতো। আক্রমণাত্মক লাইন থেকে সরে এসে রান আটকানো ও উইকেট নেওয়ার মধ্যে ভারসাম্য আনতে হতো।
ফিল্ডিংয়েও পরিবর্তন আসত, হয়তো ইনিংসের ৩৩তম ওভারে দ্বিতীয় স্লিপ আর থাকত না। বাংলাদেশের রক্ষণাত্মক বোলিং পাকিস্তানের জন্য সুযোগ বাড়িয়েছে।
শান্তর পর অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করতে গিয়ে একে একে ফাঁদে পা দিয়েছেন মুশফিক ও মিরাজও। লাঞ্চের পর মাত্র ১০ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে রান নেই, উইকেটও নেই।

ফলে পুরো চাপ গিয়ে পড়েছে লিটন দাসের কাঁধে। লিটন খোলস ভেঙেছেন কিন্তু রক্ষণাত্মক ধারা পাল্টেই। লিটন যদি তাইজুলকে সাথে নিয়ে শট খেলতে পারেন, তাহলে মুশফিক-শান্তরা কেন পারলেন না?









