আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভারতের বিস্তর পরিকল্পনা!

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৯ মে এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডে ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করবে অজিত আগারকারের নেতৃতাধীন নির্বাচক কমিটি। আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা ঠিক এখানেই, কেমন হবে স্কোয়াড, কারা থাকবেন, কিংবা বাতিলের খাতায় যাবে কাদের নাম?

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) যখন শেষ মুহুর্তের প্রহর গুনছে তখনই ভারতীয় ক্রিকেট ভাবতে শুরু করেছে আফগানিস্তান সিরিজ নিয়ে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১৯ মে এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডে ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করবে অজিত আগারকারের নেতৃতাধীন নির্বাচক কমিটি। আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নটা ঠিক এখানেই, কেমন হবে স্কোয়াড, কারা থাকবেন, কিংবা বাতিলের খাতায় যাবে কাদের নাম?

আসন্ন টেস্ট স্কোয়াডে দেখা যেতে পারে একাধিক নতুন মুখ। বিশেষ করে গুরনূর ব্রার, যিনি ইতোমধ্যেই তাঁর পারফর্মেন্সের ধারাবাহিকতা, গতি ও আত্মবিশ্বাসী শারীরিক ভঙ্গিমার মাধ্যমে নির্বাচক কমিটির নজর কেড়েছেন। শুভমান গিলের কাঁধেই থাকবে নেতৃত্বের জোয়াল। তবে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে বোলিং আক্রমণে।

দলের অন্যতম ভরসা জাসপ্রিত বুমরাহকে এই সিরিজে বিরতিতে রাখা হতে পারে। মূলত যে সকল ম্যাচ ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ নয়, সে সকল ম্যাচগুলোতে তাঁদের এই তারকা বোলারকে বিরতিতে রাখার পক্ষপাতি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।  এ জায়গায়তেই কপাল খুলতে পারে নতুন কারো।

এদিকে ওয়ানডে দলের তালিকায় তেমন কোনো নতুন মুখের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে উইকেট-কিপার পজিশনে একাধিক নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে । দস্তানা হাতে পরিচিত মুখ ঋষাভ পান্ত ছাড়াও দ্বিতীয় যে নামটি উঠে আসছে তিনি, ইশান কিষাণ । মূলত আইপিএলে পান্তের অধারাবাহিক ব্যাটিং নির্বাচক প্যানেলে দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে । তারই বিকল্প হিসেবে ইতোমধ্যেই বিগত সভায় ইশানের নাম উচ্চারিত হয়েছে। এছাড়াও দলের অন্যতম সদস্য লোকেশ রাহুলও ফর্মে আছেন।

দলটির অন্যতম আলোচনার বিষয় এখন স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার । এক্ষেত্রে যে দুজন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁরা হলেন রবীন্দ্র জাদেজা ও অক্ষর পাটেল। ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসে ভিন্ন ভিন্ন বিরতিতে স্কোয়াডে জাদেজার একাধিকবার ফিরে আসার ঘটনা রয়েছে তবে তাঁর বর্তমান ব্যাটিং এপ্রোচ ক্রিকেট মহলে সমালোচনার জোগান দিচ্ছে । তাই স্কোয়াডে অক্ষর পাটেলের নাম থাকারই সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু এই দুজনের বাইরেও ভাগ্য খুলতে পারে অন্যকারো।

ভারত অবশ্য বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোবে। আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপ, টি টোয়েন্টি সাইকেল ও চলমান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের কথা বিবেচনা করেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুই ফরম্যাটে আগত সিরিজের স্কোয়াড ঘোষণা করবে তারা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link