সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

প্রথম টেস্টে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিন বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা। তাই উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে সাদমান ইসলামের ইঞ্জুরিতে ওপেনিংয়ে রদবদল আনতেই হচ্ছে।

সিলেটে পাকিস্তানকে বাংলাওয়াশ করার মিশনে নামছে টাইগাররা। দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে আগামীকাল মুখোমুখি হবে দুই দল। প্রথম টেস্টে ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং তিন বিভাগেই দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। তাই উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তবে সাদমান ইসলামের ইঞ্জুরিতে ওপেনিংয়ে রদবদল আনতেই হচ্ছে।

সাদমানের পরিবর্তে সিলেট টেস্টে তড়িঘড়ি করে ডাক পেয়েছেন জাকির হাসান। তবে সবকিছু ঠিক থাকলে, নব্য ওপেনার হিসেবে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে তানজিদ হাসান তামিমের। তাঁর সাথে থাকছেন মাহমুদুল হাসান জয়।

ওপেনিংয়ে পরিবর্তনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও অপরিবর্তিত থাকছে ধারাবাহিকতা দেখানো টপ-মিডল অর্ডার। আগের ম্যাচের মতোই তিন নম্বরে থাকছেন মুমিনুল হক। চার নম্বরে দলের কাণ্ডারি ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মিরপুর টেস্টে এই দুই জনের ওপর ভর করেই রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ।

পাঁচ ও ছয় নম্বরের দায়িত্বটা সামলাবেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাশ। ক্যারিয়ারের গোধুলিলগ্নে এসেও ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছেন মুশি। আর লাল বলের ক্রিকেটে লিটন মানেই বাড়তি প্রত্যাশা।

এরপর দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ মেহেদী হাসান মিরাজ। প্রথম টেস্টে ছয় উইকেট নেওয়া মিরাজ ব্যাটিংয়েও দলের গভীরতা বাড়াবেন। মিরাজের সাথে স্পিন ডিপার্টমেন্ট সামাল দিবেন তাইজুল ইসলাম।

​সিলেটের এই সবুজ উইকেটে স্বাভাবিকভাবেই পেসাররা বাড়তি পাবে। প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা তাসকিন আহমেদের উপর বাড়তি নজর থাকবে সবারই। গতির ঝড় তুলতে থাকছেন তরুণ তুর্কি নাহিদ রানা। যিনি দ্বিতীয় ইনিংসে একাই পাঁচ উইকেট নিয়ে পাকিস্তানকে ধসিয়ে দিয়েছিলেন। তবে প্রথম ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকা এবাদত হোসেনের জায়গায় দেখে যেতে পারে শরিফুল ইসলামকে।

সব মিলিয়ে, এই সম্ভাব্য একাদশ দাঁড়াচ্ছে:   মাহমুদুল হাসান জয়, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম। 

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link