আর্শদ্বীপের বর্ণবাদের সাক্ষী হলো আইপিএল

ক্রীড়াঙ্গন যখন বর্ণবাদে সোচ্চার, তখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএলে) হাজির হলো বর্ণবাদের কালো ছায়া। যার রুপকার পাঞ্জাব কিংসের পেসার আর্শদ্বীপ সিং।

ক্রীড়াঙ্গন যখন বর্ণবাদে সোচ্চার, তখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএলে) হাজির হলো বর্ণবাদের কালো ছায়া। যার রুপকার পাঞ্জাব কিংসের পেসার আর্শদ্বীপ সিং। ঘটনাটি ঘটে পাঞ্জাব কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মধ্যকার ম্যাচ পরবর্তী সময়ে । যেখানে ম্যাচ শেষে আর্শদ্বীপ, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটার তিলক ভার্মার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘ওয়ে আন্ধ্যেরে, সানস্ক্রিন লাগায়া?’

আর্শদ্বীপের এই কাণ্ডে ক্রিকেটাঙ্গনে তৈরি হয়েছে সমালোচনার ঝড়। প্রথম প্রতিবাদটি উঠে আসে ভারতীয় সাবেক স্পিনার লক্ষণ শিবরামকৃষ্ণনের কাছ থেকে। এসময় তিনি নিজের খেলোয়াড়ি জীবনে বর্ণবাদের স্মৃতিচারণ করেন ও আর্শদ্বীপের বিরুদ্ধে শুধু কঠোর ব্যবস্থা নয়, তাকে নিষিদ্ধ করার আর্জিও জানিয়ে রাখেন।

তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ বলেন, ‘কেউ আমাকে বিশ্বাস করেনি। সবাই আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছে ও ট্রল করেছে। আমার মতে, এই মৌসুমে অর্শদ্বীপকে নিষিদ্ধ করা উচিত। আজকের খেলোয়াড়দের এমন জায়গায় আঘাত করা উচিত না যেখানে সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে। আমি নিশ্চিত, এবারও আমাকে ট্রল করা হবে।’

তিনি একাধিক পোস্টে আরো বলেছেন, যদি বিসিসিআই কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাহলে যারা তাকে বর্ণবাদীভাবে অপমান করেছে, তিনি তাদের নাম প্রকাশ করবেন। সাম্প্রতিক ভারতীয় কয়েকজন সাবেক খেলোয়াড় তার গায়ের বর্নের কারণে তাকে ‘কালো ছেলে’ বলে বিশেষণ করেছেন।

এখন দেখার বিষয় বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) আর্শদ্বীপের এই কর্মকাণ্ডের জন্য কি শাস্তি দেয়, বা আদেও এই ব্যাপারকে আমলে নেয় কিনা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link