সবার আগে প্লে-অফে ব্যাঙ্গালুরু!

পাঞ্জাব কিংসকে উড়িয়ে দিয়ে সবার আগে প্লে-অফে পা রাখল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা জানিয়ে গেল, ট্রফি এবারও নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া তারা।

পাঞ্জাব কিংসকে উড়িয়ে দিয়ে সবার আগে প্লে-অফে পা রাখল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা জানিয়ে গেল, ট্রফি এবারও নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া তারা। আর টানা ছয় ম্যাচ হেরে পাঞ্জাবের সামনে এখন শুধুই বিভীষিকা।

পয়েন্ট টেবিলের এক নম্বরে থেকেও নিশ্চিত হয়নি প্লে-অফের টিকিট। ব্যাঙ্গালুরুর কাছে তাই জয়ের বিকল্প ছিল না। অন্যদিকে পাঞ্জাব কিংসের কাছেও এই ম্যাচ বাঁচা-মরার লড়াই। যেখানে শেষ হাসিটা হাসল কোহলির ব্যাঙ্গালুরু।

বড় ম্যাচে বড় তারকা রান করবেন, এটাই স্বাভাবিক। তাই তো আগে ব্যাট করতে নামা বেঙ্গালুরুর গতিপথ সেট করে দেন স্বয়ং বিরাট কোহলি। ৫৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে এনে দেন শক্ত ভিত। যার ওপর দাঁড়িয়ে ভেঙ্কটেশ আইয়ার খেলেন ৭৩ রানের অনবদ্য ইনিংস। আর টিম ডেভিডের ঝড়ের সুবাদে ব্যাঙ্গালুরু তোলে ২২২ রানের পাহাড়।

ভুবনেশ্বর কুমার, জস হ্যাজেলউডদের নিয়ে সাজানো বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে এই রান তাড়া করা চাট্টিখানি কথা নয়। সেটা বোঝা গেল শুরুতেই। ১৯ রানের মাথায় দুই ওপেনারসহ ফিরে গেছেন শ্রেয়াস আইয়ার। পাঞ্জাব কিংসের মেরুদণ্ড যে ভেঙে গেছে ওখানেই।

সেখান থেকে মার্কাস স্টয়নিস আর শশাঙ্ক সিং মিলে একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালান। শশাঙ্ক ফিফটি তুলে নেন ঠিকই, তবে সেটা কেবলই ব্যবধান কমিয়েছে। শেষমেশ ২৩ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে ব্যাঙ্গালুরু। আর প্রথম দল হিসেবে পা রেখেছে প্লে-অফে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link