বুমরাহকে ঘিরে ভারতের দুশ্চিন্তা

ভারতের টিম নির্বাচনের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন জাসপ্রিত বুমরাহ। ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে আগামী ১৯ মে দল ঘোষণা করতে যাচ্ছে অজিত আগার্কারের নেতৃত্বাধীন ভারতের নির্বাচক কমিটি। সেখানে জাসপ্রিত বুমরাহ থাকবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

আর এই সিরিজকে ঘিরে এখন সবচেয়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে জাসপ্রিত বুমরাহ’র ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট। তাদের এই তারকা পেস বোলারকে দীর্ঘমেয়াদে ফিট রাখতে, ভিন্ন পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।

সামনে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট সূচি এবং ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই। তাই আফগানিস্তান সিরিজে বুমরাহ কে সব ম্যাচে খেলানো হবে কি না, সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।

ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট মনে করছে, সামনে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক মৌসুম থাকায় তাঁকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেয়াও জরুরি। জানা গেছে, তিনি হয় একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি খেলবেন, নয়তো ওয়ানডে সিরিজে অংশ নিবেন। দুই ফরম্যাটেই তাঁকে খেলানোর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইনজুরির কারণে কয়েকবার মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে এই পেসারকে।  ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এর ব্যস্ত সূচির পর কম সময়ের বিরতিতে আন্তর্জাতিক সিরিজ শুরু হওয়ায় ক্রিকেটারদের ক্লান্তি নিয়েও চিন্তায় রয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

আগামী ৬ জুন একমাত্র টেস্টটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতের চন্ড্রিগড়ে। এরপর ১৪,১৭ ও ২০ জুন তিনটি ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ধর্মশালা, লখনৌ ও চেন্নাইয়ে। বুমরাহ’র টেস্ট না খেলা সাপেক্ষে দলের পেস আক্রমনের নেতৃত্ব দিতে পারেন মোহাম্মদ সিরাজ ও প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা।

এছাড়া, ইনজুরির কারণে হর্ষিত প্রদীপ রানা ও আকাশ দীপের না থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে পারফর্ম করা একাধিক তরুন ক্রিকেটারদেরও দলে দেখার বিশেষ সম্ভাবনা রয়েছে।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link