পুরনো সেই বিশ্বাসের প্রতিদান দিয়েছেন ধোনি!

মাহেন্দ্র সিং ধোনির জাতীয় দলে আসা কিছু সময়ের জন্য থামিয়ে দিয়েছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। না, কোনো শত্রুতার জের ধরে নয়, বরং নিজ চোখে ধোনিকে একটু পরখ করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

মহেন্দ্র সিং ধোনির জাতীয় দলে আসা কিছু সময়ের জন্য থামিয়ে দিয়েছিলেন তৎকালীন অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। না, কোনো শত্রুতার জের ধরে নয়, বরং নিজ চোখে ধোনিকে একটু পরখ করে নিতে চেয়েছিলেন তিনি।

ক্রিকেট ইতিহাসের কিছু গল্প শুধুই পরিসংখ্যানের নয়; বরং বিশ্বাস ও দূরদৃষ্টিরও। ভারতের ছোট্ট শহর রাঁচি থেকে উঠে আসা লম্বা চুলের তরুণ একদিন সমগ্র ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করবে, তা হয়তো তখন কেউই কল্পনা করেনি। তবে সেই প্রতিভার ভেতরের আগুনকে ঠিকই চিনে নিয়েছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি।

সেই কারণেই হয়তো জাতীয় দলে নেওয়ার পূর্বে ধোনিকে শেষবারের মতো নিজ চোখে দেখে নিতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের তৎকালীন অধিনায়ক।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে গাঙ্গুলি জানিয়েছেন, ধোনির জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার প্রক্রিয়া কিছু সময়ের জন্য থেমে ছিল শুধুমাত্র তাঁর ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণের জন্য।

তিনি বলেন, ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাকে একবার ধোনিকে দেখতেই হতো। তাই কয়েক দিনের জন্য সিদ্ধান্তটা স্থগিত রেখেছিলাম। ধোনি যখন খেলতেন, তখন তাঁকে দেখতে আমি জামশেদপুর পর্যন্ত গিয়েছিলাম। আমরা পুরো ম্যাচ দেখতাম, ধোনি তা জানতেন না।’

নির্বাচকরাও ধোনির প্রতিভা নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তবে অধিনায়ক হিসেবে গাঙ্গুলির বিশ্বাস ছিল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কাউকে সুযোগ দেওয়ার আগে কাছ থেকে পরখ করে নেওয়া বেশি জরুরি।

২০০৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে নীল জার্সিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন ধোনি। অভিষেক ম্যাচে শূন্য রানে রান আউট হয়ে ফিরে গেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জানান দিয়েছিলেন, ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক তারকার আগমন ঘটতে যাচ্ছে।

ধোনির আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বে। পরবর্তীতে ধোনিই হয়ে ওঠেন ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়কদের একজন। তাঁর অধিনায়কত্বে ভারত জেতে ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। একমাত্র অধিনায়ক হিসেবে ধোনিই তিনটি বড় আইসিসি ট্রফি জয়ের কীর্তি গড়েছেন। সেসময়ের নির্বাচকদের বিশ্বাসের প্রতিদানটাও দিয়েছেন তিনি।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link