জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ!

অঘটন না ঘটলে যে বাংলাদেশের ম্যাচ জেতা কেবলই সময়ের অপেক্ষা। পাকিস্তানও সেটা ভালো করেই জানে।

মুশফিকুর রহিম আর লিটন দাসের দাপুটে ব্যাটিংয়ের সুবাদে সিলেট টেস্টের লাগাম এখন বাংলাদেশের হাতে। অঘটন না ঘটলে যে বাংলাদেশের ম্যাচ জেতা কেবলই সময়ের অপেক্ষা। পাকিস্তানও সেটা ভালো করেই জানে। তাই তো অসহায়ত্ব মেনে নিয়ে স্রেফ ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই সফরকারীদের সামনে।

১১০ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। বড় রান তুলতে হবে, এই হিসাব মাথায় নিয়ে সকাল শুরু করেন নাজমুল হোসেন শান্ত আর মুশফিকুর রহিম মিলে। তবে ১৫ রানেই যবনিকা পতন ঘটে শান্তর। আর এরপরই শুরু হয় বাংলাদেশের ছড়ি ঘোরানো।

লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে উইকেটে জমে যান মুশফিক। পাকিস্তানের বোলাররা অসহায় চেয়ে দেখেছে এই জুটির দাপট। ১২৩ রান আসে এখান থেকেই। প্রথম ইনিংসে শতক হাঁকানো লিটন এই ইনিংসেও খেলেন ৬৯ রানের অনবদ্য নক।

বাংলাদেশ মোমেন্টাম পেয়ে যায় ওখানেই। পাকিস্তানও বুঝে যায় একটু একটু করে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে ম্যাচ। কিন্তু কিছুই করার ছিল না। কেননা উইকেটে দাঁড়িয়ে শাসকের ভূমিকায় তখন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম শতকটি আদায় করেছেন, খেলেছেন ১৩৭ রানের ইনিংস।

শেষমেষ দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ স্কোরবোর্ডে তোলে ৩৯০ রান। আর তাতেই পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ৪৩৭ রানের। আলোকস্বল্পতার কারণে দুই ওভার ব্যাট করেই দিনশেষ করতে হয় পাকিস্তানের। তাতে অবশ্য রানের খাতা খুলতে পারেনি তারা।

হাতে আছে দুই দিন। জিততে হলে অবিশ্বাস্য কিছু করতে হবে পাকিস্তানকে। কোনো অঘটন যদি না ঘটে, তবে এই রান টপকানো রীতিমতো দুঃসাধ্য পাকিস্তানের জন্য।

Share via
Copy link