বৈভবকে আউট করবেন যেভাবে!

দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন, বৈভব সুরিয়াভানশিকে বোলাররা থামাবেন কীভাবে? সমাধান আছে হরভজন সিংয়ের কাছে। বোলারদের জন্য বাতলে দিলেন এক বিশেষ টোটকা, যা দিয়েই কেবল থামানো যেতে পারে এই ‘বেবি মনস্টার’কে।

দুনিয়ার সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন, বৈভব সুরিয়াভানশিকে বোলাররা থামাবেন কীভাবে? সমাধান আছে হরভজন সিংয়ের কাছে। বোলারদের জন্য বাতলে দিলেন এক বিশেষ টোটকা, যা দিয়েই কেবল থামানো যেতে পারে এই ‘বেবি মনস্টার’কে।

মাত্র ১৫ বছর বয়স, অথচ ২২ গজে ব্যাট হাতে নামলেই তিনি যেন এক বিধ্বংসী ঝড়! ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি আসরে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে বিস্ময় বালক বৈভব বোলারদের রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছেন। এই কিশোরের ব্যাটিং তাণ্ডব দেখে ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার হরভজন সিং তো বলেই দিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে বৈভবের উইকেট নেওয়াই হবে প্রতিপক্ষের বোলারদের প্রধান লক্ষ্য।  

জাসপ্রিত বুমরাহ কিংবা জশ হ্যাজেলউডের মতো বিশ্বমানের অভিজ্ঞ পেসারদেরও বিন্দুমাত্র ছাড় দেননি তিনি। পাওয়ারপ্লে-র সুবিধা কাজে লাগিয়ে অবলীলায় তাঁদের বল উড়িয়ে পাঠিয়েছেন গ্যালারিতে। ভয়ডরহীন ক্রিকেট কাকে বলে, তা যেন প্রতি ম্যাচেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন এই ওপেনার। 

হরভজন সিং বৈভবকে থামাতে যে কৌশলের কথা বলেছেন তা হলো, বলকে তাঁর চেনা হিটিং আর্কের বাইরে রাখা। বৈভবের মারকুটে রূপ দেখে জিও হটস্টারে হরভজন বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা হতো বল স্পিন করানো এবং সেটা ওর হিটিং আর্কের বাইরে রাখা। ও যদি ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে আমাকে মারার চেষ্টা করে, তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু আমি চাইব না ও ক্রিজে দাঁড়িয়ে নিজের পছন্দের শটগুলো খেলুক।’

বৈভবের এই অকুতোভয় ব্যাটিং শৈলী দেখে খোদ হরভজনও মুগ্ধতা লুকাতে পারেননি। কিংবদন্তি এই স্পিনার বৈভবের প্রশংসা করে বলেন, ‘১৫ বছর বয়সে ও যেভাবে প্রতিটি বোলারকে ছক্কা মারছে, তেমন ব্যাটার আমি আমার ক্যারিয়ারে দেখিনি। আমি ক্রিস গেইলকেও অনেকবার আউট করেছি, কিন্তু সুরিয়াভানশি সম্পূর্ণ আলাদা স্তরের ক্রিকেটার। ওর ব্যাটের ফ্লো সত্যি অনন্য।’

ম্যাচের ফলাফল যাই হোক না কেন, টুর্নামেন্টের আসল ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ যে বৈভবই, তা প্রতি ম্যাচেই প্রমাণ করে চলেছেন এই কিশোর। বৈভবের এই রাজকীয় পথচলা তাই তো ইঙ্গিত দিচ্ছে ক্রিকেটের আঙিনায় এক নতুন মহাকাব্যের। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link