টি-টোয়েন্টিতে ভবিষ্যত নেই। সেটা সম্ভবত বুঝে ফেলেছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। তাই তো, অস্ট্রেলিয়াতে তিনি টি-টোয়েন্টি খেলছেন ওয়ানডের মেজাজে। যার খেসারত দিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। নর্দান টেরিটরির বিপক্ষে দিব্যি যে স্কোরটা ২০০ পর্যন্ত যেতে পারত বাংলাদেশ সেখানে করল ১৭২ রান।
বাংলাদেশ দলের শুরু ছিল বিস্ময়কর। পাওয়ার প্লে’র শুরুতে মারকাটারি ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী করে যাচ্ছিলেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ। ৩.২ ওভারে দলের রান ছিল বিনা উইকেটে ৫৫ রান। সেখান থেকে পরের চার ওভারে রান আসল মাত্র আটটি। ওয়ানডেতেও আজকাল কেউ এভাবে ব্যাট করে কি না সন্দেহ!

আর এর পুরোটা দায় সাইফ হাসানের, শিকল ভাঙতে পারেননি আফিফও। সেই ধাক্কাটা পুরোটা সময় জুড়েও সামলে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। মিডল ওভারে আফিফের ব্যাট থেকে রান আসে শম্বুক গতিতে। যেখানে দলের প্রয়োজন ছিল বড় শট, নিদেনপক্ষে স্ট্রাইক রেটের স্কোরবোর্ড প্রেসার সামলানো – সেই কাজটাই করতে পারেননি আফিফ।
১১ ওভার শেষে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের রান ছিল মাত্র ৮২। অথচ হাতে উইকেট ছিল বিস্তর। আফিফ শেষ পর্যন্ত ছিলেন উইকেট। নুরুল হাসান সোহান আর ইয়াসির আলী রাব্বি সময়ের সাথে সাথে ঝড় তুললেও আফিফ অপেক্ষায় রাখেন পুরো বাংলাদেশ দলকে।

১৯তম ওভারের শেষে আফিফের রান ছিল মাত্র ৩৭ বলে ৩২। শেষ ওভারে কয়েকটা বাউন্ডারি মেরে রান বাড়ালেও ম্যাচের মোড় ঘোড়াতে দেরি হয়ে গেছে। এটাই এখন আফিফের ব্যাটিংয়ের নিয়মিত দৃশ্য।
প্রথম ম্যাচে ২৩ বলে অপরাজিত ৪৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। পরের ম্যাচে করলেন ৪৯ বলে ৪২, এবার ৪০ বলে ৪১। আফিফ বড় শট খেলার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাঁর ইনিংস ব্যক্তিগতভাবে ‘নট আউট’ থাকলেও, দলকে ম্যাচ থেকে পুরোদমে ‘আউট’ করে দিচ্ছে বারবার।











